• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • COVID-19: লকডাউনে পয়লা বৈশাখে শুনশান থাকল এই দুই কালীবাড়ি ও!

COVID-19: লকডাউনে পয়লা বৈশাখে শুনশান থাকল এই দুই কালীবাড়ি ও!

যারাই এসেছিলেন এই দুই মন্দিরে দূর থেকে প্রণাম জানিয়ে ও হালখাতা গেটেই  ছুঁয়ে চলে গেছেন।

যারাই এসেছিলেন এই দুই মন্দিরে দূর থেকে প্রণাম জানিয়ে ও হালখাতা গেটেই ছুঁয়ে চলে গেছেন।

যারাই এসেছিলেন এই দুই মন্দিরে দূর থেকে প্রণাম জানিয়ে ও হালখাতা গেটেই ছুঁয়ে চলে গেছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: লকডাউনে পয়লা বৈশাখের দিন কার্যত শুনশান থাকল বিরাটির 'গৌরীপুর কালী মন্দির'এবং মধ্যমগ্রামের 'মধ্যমগ্রাম কালিবাড়ি'। প্রত্যেক বছর এই পয়লা বৈশাখের দিন বহু পূণ্যার্থীদের ভিড় হয় এই দুই কালীবাড়িতে। সকাল থেকেই লম্বা লাইন পড়ে। কিন্তু মঙ্গলবারের ছবিটা সম্পূর্ণ আলাদাই থাকলো এই দুই কালিবাড়ির। দিনভর ফাকা থাকল মন্দির চত্বর। স্থানীয় যে কয়েকজন ব্যবসায়ী এসেছিলেন হালখাতা পুজো করার জন্য তারা মন্দিরের গেটেই বাইরে হালখাতা ছুঁয়ে পুজো করে গেলেন। বিরাটির গৌরীপুর কালী মন্দিরে পূণ্যার্থীদের মাকে দেখার সুযোগ থাকলেও মধ্যমগ্রাম কালিবাড়ি তো অবশ্যই গেটই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু যে ছবি পয়লা বৈশাখের দিন প্রতিবছরেই দুই কালীবাড়িতে দেখা যায় তা অবশ্য মঙ্গলবার দেখা গেল না। বলা যায় লকডাউনের কারণে এই দুই কালী মন্দির কার্যত জনশূন্যই থেকে গেল। তবে রীতি মেনে পুজো হয়েছে এই দুই কালী মন্দিরে।

এয়ারপোর্ট থেকে জাতীয় সড়ক ধরে বারাসাত যাওয়ার সময় রাস্তার উপরেই যেতে যেতে অনেকেই প্রণাম করেন। আবার গাড়ি থামিয়ে অনেকেই মন্দিরে এসে পুজো দিয়ে যান। বিরাটির এই গৌরীপুর কালী মন্দিরে প্রচুর মানুষ আসেন প্রতিনিয়ত পুজো দিতে। কিন্তু এবারের পহেলা বৈশাখে মন খারাপ এই মন্দিরের পুরোহিত ও ভক্তদের। রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে মা কালীর দর্শন পাওয়া গেলেও অনেকেই পয়লা বৈশাখের দিন বাইরে থেকেই হালখাতার পুজো করলেন।

যদিও মধ্যমগ্রাম কালিবাড়ীর ছবিটা অবশ্য অন্যরকম। রাজ্যে লকডাউন জারির পর থেকেই মন্দিরের মূল গেটই বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাই মঙ্গলবার পয়লা বৈশাখের দিন গেটের বাইরে থেকেই হালখাতা করতে হয়েছে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। প্রত্যেক বছরই মধ্যমগ্রাম কালীবাড়িতে পয়লা বৈশাখের দিন বিশেষভাবে পুজো এবং ভোগ নিবেদন হয়। কিন্তু এবারের পহেলা বৈশাখ কার্যত শুনশান করে রাখল মধ্যমগ্রামের এই কালীবাড়িকে। এদিন পুজো দিতে আসা এক ব্যবসায়ী বলেন " বাইরে থেকে হালখাতা ছুঁয়ে পুজো করে গেলাম। এটাই একটা মানসিক শান্তি।"

SOMRAJ BANDOPADHYAY

Published by:Ananya Chakraborty
First published: