• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • COLOURS OF KOLKATA IS THE NEW INITIATIVE TO DECORATE THE CITY WITH COLOURFUL GRAFFITI ARC

Colours of Kolkata: রবীন্দ্রনাথ, সত্যজিতের ছবিতে চিত্রিত হবে কলকাতার দেওয়াল, তিলোত্তমার নতুন সজ্জা

আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের বহু শহরে চেনা রীতি গ্রাফিতি এ ভাবেই এ বার কলকাতাতেও

আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের বহু শহরে চেনা রীতি গ্রাফিতি এ ভাবেই এ বার কলকাতাতেও ৷ ‘কালার্স অব কলকাতা’ (Colours of Kolkata) নামে বৈচিত্র উদযাপনের এই উদ্যোগ শুরু হচ্ছে স্বাধীনতা দিবসে ৷

  • Share this:

কলকাতা : নড়িতে নড়িতে চলা কলিকাতার অজগর সাপের মতো রাস্তার পিঠে ধুপধাপ পড়া ট্রামগাড়িই কি চারু দূরবিন চোখে দেখত জানালার খড়খড়ির ফাঁক দিয়ে ? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে থাকা কলকাতার জন্য এ বার নতুন রঙিন পরশ ৷ ওয়েস্টবেঙ্গল ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের উদ্যোগে দেওয়ালচিত্র বা গ্রাফিতিতে রাঙানো হচ্ছে তিলোত্তমাকে ৷ প্রাথমিক পর্বে বিষয়বস্তু উপন্যাসের চারুলতা এবং সেলুলয়েডের চারুর দুই স্রষ্টার জীবন ও কাজ ৷

আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপের বহু শহরে চেনা রীতি গ্রাফিতি এ ভাবেই এ বার কলকাতাতেও ৷ ‘কালার্স অব কলকাতা’ (Colours of Kolkata) নামে বৈচিত্র উদযাপনের এই উদ্যোগ শুরু হচ্ছে স্বাধীনতা দিবসে ৷ এ বছর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০ তম জন্মবার্ষিকী ৷ সেইসঙ্গে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবর্ষ ৷ এই দুই মাইলফলকের স্মরণই গ্রাফিতির বিষয়বস্তু ৷ পরবর্তীতে বাংলার অন্যান্য মনীষীর স্মরণে চিত্রিত হবে কলকাতা ৷ চিত্রায়ণের জন্য আপাতত বেছে নেওয়া হয়েছে শহরের প্রাণকেন্দ্রে ডব্লুবিটিসি-র বিভিন্ন ডিপোর দেওয়ালগুলিকে ৷

ডব্লুবিটিসি-র এমডি রাজনবীর সিং কপূরের কথায়, ‘‘অনেক সময়েই লোকে থুতু ফেলে আমাদের ডিপো-র দেওয়ার নোংরা করে ৷ এই নতুন উদ্যোগে সাধারণ মানুষ হয়তো তাদের পুরনো কুঅভ্যাস ছাড়তে পারে ৷ তাছাড়া দেশের শিল্পকলা-রাজধানীর পরিচয়েও একটা শৈল্পিক স্পর্শ যোগ হল৷’’ তিনি আরও যোগ করেন, ভবিষ্যতে নামী শিল্পীদের আমন্ত্রণ করা হবে এই উদ্যোগে ৷ যাতে শহরের বিশেষ বিশেষ অংশে এই গণ শিল্পকলার ফলে সিটি অব জয়-কে আরও সুন্দর দেখতে লাগে ৷

পার্ক সার্কাস থেকে শুরু হয়ে পুজোর মধ্যে অধিকাংশ ডব্লুবিটিসি-র ডিপো চিত্রিত হবে ‘কালার্স অব কলকাতা’-য় ৷ এর পরই দ্বিতীয় ধাপে পরিকল্পনার তালিকায় আছে টলি ক্লাবের উল্টোদিকে টালিগঞ্জের ডিপো এবং বালিগঞ্জ ফাঁড়ি ও গড়িয়াহাটা এলাকার ডিপো ৷

গ্রাফিতি উদ্যোগের প্রথম ছবি আঁকার পর্বে যুক্ত শিল্পী মুদর পাথেরায়া ৷ তিনি বলেছেন, ‘‘কালার্স অব ইন্ডিয়ার উদ্দেশ্য হল শহরের গণদেওয়ালগুলি কাজে লাগানো ৷ পাশাপাশি বার্তাও দেওয়া যায় যে কলকাতা সবদিক দিয়েই দেশের উজ্জ্বলতম শহর ৷ ’’ তাঁকে এই কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য ডব্লুবিটিসি-কে ধন্যবাদ জানান শিল্পী ৷

শহরে ছড়িয়ে থাকা তাঁদের সব ডিপো চিত্রিত হয়ে যাওয়ার পর এই উদ্যোগে তিলোত্তমার শিরোপায় যোগ হবে বেনজির পালক, দাবি ডব্লুবিটিসি-র ৷

Published by:Arpita Roy Chowdhury
First published: