corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে একঘেয়েমি কাটাতে এবার 'হোমওয়ার্ক' প্রতিযোগিতা শুরু করলো সিটু

লকডাউনে একঘেয়েমি কাটাতে এবার 'হোমওয়ার্ক' প্রতিযোগিতা শুরু করলো সিটু
representative image

'ওয়ার্ক ফ্রম হোমে'র পাশাপাশি এবার শুরু হল 'হোম ওয়ার্ক'। সৌজন্যে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন

  • Share this:

#কলকাতা: 'ওয়ার্ক ফ্রম হোমে'র পাশাপাশি এবার শুরু হল 'হোম ওয়ার্ক'। সৌজন্যে সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন।

করোনা মোকাবিলায় চলছে লকডাউন। গৃহবন্দি মানুষ। বিভিন্ন সংস্থা কর্মীদের 'ওয়ার্ক ফ্রম হোমে'র নির্দেশ দিয়েছে। বাড়িতে দীর্ঘ সময় কাটাতে অনেকেরই একঘেয়েমি আসতে শুরু করেছে। তা কাটাতে কেউ রান্না করছেন, কেউ বাগান পরিচর্যা করছেন কেউ বা ফেসবুকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে সময় কাটাচ্ছেন। সেটাও বা কতদিন ? ফলে একঘেয়েমির পাশাপাশি কিছু মানুষের মধ্যে হতাসা বা অবসাদও আসতে শুরু করেছে। এই সমস্যা থেকে মুক্তির উপায় খুঁজতে এক অভিনব কৌশল বের করল সিটু। ছবি আঁকা, গল্প লেখা, পোস্টার বানানোর মতো কিছু প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে সংগঠনের মধ্যে। বাড়িতে বসেই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মানুষ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। কলকাতার ৩০ ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে সিটুর বেলেঘাটা ২ এরিয়া সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কীভাবে এই প্রতিযোগিতা হবে? সিটু সূত্রে খবর, বয়স অনুযায়ী প্রতিযোগীদের কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন অঙ্কন। বিষয় --'তোমার চোখে আগামী পৃথিবী'। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত ছেলেমেয়েরা এতে অংশ নিতে পারবেন। এরপর ১২ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত প্রতিযোগীদের জন্য বিষয় থাকছে 'নানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান'। থাকছে কবিতা লেখার প্রতিযোগিতা। ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিযোগীরা ইচ্ছেমতো যে কোনও বিষয়ের উপর ১৪ লাইনের ভিতরে লিখে পাঠাবে। ১৮ বছর পর্যন্ত বয়স হলে ছোটগল্প বা নাটক লিখতে পারবে। সর্বসাধারণের জন্যেও প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের দুটো বিষয় থাকছে-- 'ওরা কাজ করে' এই বিষয়ের উপর পোস্টার তৈরি। আর দ্বিতীয় বিষয় ৪৫০ শব্দের মধ্যে ছোটগল্প বা নাটক। যার বিষয় থাকছে 'কুসংস্কার বনাম বিজ্ঞান'। ছবি, কবিতা, গল্প বা প্রবন্ধ ৭০০৩৩১৩৩৫৩ নম্বরে আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে পাঠিয়ে দিতে হবে। প্রতিযোগীর নাম, বয়স, অভিভাবকের নাম, ফোন ও বাড়ির ঠিকানা জানাতে হবে।

সংগঠনের আহ্বায়ক মানিক দাস বলেন, "বাড়িতে বসে সকলেই একঘেয়েমির শিকার হচ্ছেন। অথচ বাড়ির বাইরেও বেরোনো যাবে না। এমন সময় মেধার প্রতিযোগিতা অবশ্যই মানুষের মধ্যে উৎসাহের সৃষ্টি করবে। প্রতিযোগীদের জন্যে থাকবে আকর্ষণীয় পুরষ্কারও।"

এইরকম প্রতিযোগীতায় উৎসাহীত এলাকার বাসিন্দারা।৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কার্তিক দে বলেন, 'এটা খুব ভাল উদ্যোগ। বাড়িতে থেকেই পাড়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে এরকম প্রতিযোগিতা এলাকার মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াবে।' ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তথ্য প্রযুক্তি কর্মী বিভাস দাস বলেন, 'বেলেঘাটায় একটা পাড়া সংস্কৃতি ছিল। ছোটবেলায় পাড়ার বন্ধুরা মিলে খেলাধূলা করতাম। কিন্তু এখনকার প্রজন্ম সারাদিন মোবাইলে ব্যাস্ত। এই উদ্যোগ সত্যিই ভাল লাগছে।'

ওয়াকিবহল মহলের একাংশের মতে, লকডাউনে গৃহবন্দি মানুষের সঙ্গেও বিভিন্ন উপায়ে 'জনসংযোগ' রাখছে বিভিন্ন সংগঠন। বিভিন্ন উপায়ে পৌঁছচ্ছে মানুষের কাছে বিভিন্ন সাহায্য নিয়ে। এক এক জায়গায় এক এক রকম ভাবে। তবে এগুলোর মধ্যে এই উদ্যোগটা অভিনব ।

UJJAL ROY

Published by: Rukmini Mazumder
First published: April 9, 2020, 9:43 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर