Chili Price Hike: এক সপ্তাহের মধ্যে ৮০ থেকে ১৫০! লঙ্কার ঝালে নাভিঃশ্বাস উঠছে মধ্যবিত্তের

প্রচুর বৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে লঙ্কা গাছের। বহু জায়গায় লঙ্কার গাছ জলে ডুবে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। তাতেই তৈরি হয়েছে সংকট।

প্রচুর বৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে লঙ্কা গাছের। বহু জায়গায় লঙ্কার গাছ জলে ডুবে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। তাতেই তৈরি হয়েছে সংকট।

  • Share this:

#কলকাতা: অগ্ন মূল্য লঙ্কা। খুচরো বাজারে ১৫০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে লঙ্কা। বিক্রেতাদের দাবি, আরও বাড়তে পারে লঙ্কার দাম।

পেট্রোল ডিজেলের দাম মাত্রাতিরিক্ত  বাড়ার ফলে দাম বেড়েছে কমবেশি সব শাক সবজির। কিন্তু সব কাঁচা আনাজ কে পিছনে ফেলে শীর্ষে লঙ্কা। দু সপ্তাহ আগে যে গুণগত মানের লঙ্কা বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা প্রতি কিলো, সেই লঙ্কা এখন বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকা কেজি দরে। হঠাৎ করে লঙ্কার এই দামবৃদ্ধির কারণ কি? ব্যবসায়ীদের দাবি, গত মাসে অতিরিক্ত বৃষ্টির জন্য দাম বেড়েছে লঙ্কার।  দক্ষিণবঙ্গে লঙ্কার অংশ চাষ হয় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গাতে। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের মালদহ এবং শিলিগুড়িতে লঙ্কা চাষ হয়। কিন্তু জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। ঠিক তার পরে পরে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় উত্তরবঙ্গেও। সেই বৃষ্টিতেই ক্ষতি হয়েছে লঙ্কা গাছের। বহু জায়গায় লঙ্কার গাছ জলে ডুবে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। তাতেই তৈরি হয়েছে সংকট।

তবে পাইকারি বাজারে লঙ্কার যোগানের তেমন কমতি নেই বলে জানাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কোলে মার্কেটের পাইকারি ব্যবসায়ী বিকি সাউ বলেন, 'বৃষ্টিতে চাষের ক্ষতি হয়েছে ঠিকই কিন্তু লঙ্কার যথেষ্ট যোগান রয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত আরও বেশি হলে লঙ্কার যোগানের ঘাটতি পড়তে পারে। তখন পাইকারি দাম বাড়ার সম্ভাবনা আছে।' তার দাবি, পাইকারি বাজারে লঙ্কার দামের তেমন কোনও হেরফের হয়নি। দাম বাড়াচ্ছে খুচরা বিক্রেতারা। কোলে মার্কেটে এদিন সবচেয়ে ভালো মানের লঙ্কা বিক্রি হয়েছে পাল্লা প্রতি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কেজি লঙ্কার দাম দাঁড়ায় ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।

তাহলে খুচরা বাজারে লঙ্কার দাম এত বেশি কেন? মানিকতলা বাজারে এক সবজি বিক্রেতার বক্তব্য, 'এখন যে লঙ্কা আছে তা সব বৃষ্টিতে ভেজা। খুব তাড়াতাড়ি পচে যাচ্ছে। এক পাল্লা লঙ্কা কিনলে তা থেকে এক কেজি ফেলে দিতে হচ্ছে। তার সঙ্গে যে গাড়িতে মাল আসছে তারাও রেট অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তার জন্য আমাদেরও দাম বাড়াতে হচ্ছে।'

Published by:Simli Raha
First published: