Narada Scam Updates: চার নেতাকে গৃহবন্দি করার নির্দেশ হাইকোর্টের, বৃহত্তর বেঞ্চে গেল জামিনের মামলা

কলকাতা হাইকোর্ট৷

গৃহবন্দি করার এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছেন অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি৷

  • Share this:

    #কলকাতা: নারদ কাণ্ডে ধৃত চার নেতাকেই আপাতত গৃহবন্দি করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট৷ একই সঙ্গে মামলাটি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশি দিয়েছে  ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ৷ তবে গৃহবন্দি করার এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছেন অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি৷ একই ভাবে গৃহবন্দি করার নির্দেশের উপরে স্থগিতাদেশ চেয়েছেন সিবিআই-এর পক্ষে সওয়াল করা তুষার মেহতা৷

    গত সোমবার নারদ কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার দিনই সিবিআই-এর বিশেষ আদালতে জামিন পান ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্য়ায়৷ কিন্তু ওই দিন রাতেই সেই নির্দেশের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করে কলকাতা হাইকোর্ট৷ স্থগিতাদেশ প্রত্য়াহার করার আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন চার নেতা৷

    এ দিন ধৃত চার নেতার জামিনের আবেদনের শুনানিতে দুই বিচারপতির মধ্য়ে মতানৈক্য় হয়৷ কারণ, দুই বিচারপতির অন্য়তম অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্য়ায় চার নেতাকে অন্তর্বর্তী জামিনের নির্দেশ দেন৷ কিন্তু এই নির্দেশের বিরোধিতা করেন তিনি৷ বরং চার নেতাকে গৃহবন্দি করে রাখার পক্ষে মত দেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি৷ এর পরই মামলাটি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর পক্ষে মত দেন দুই বিচারপতি৷ এর ফলে মোট তিন থেকে পাঁচ বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত হবে বৃহত্তর বেঞ্চ৷ সেই বেঞ্চের নির্দেশের উপরে নির্ভর করছে চার নেতার জামিন ভাগ্য়৷ ততদিন পর্যন্ত গৃহবন্দি হয়ে থাকতে হবে চার নেতাকে৷

    তবে চার নেতার হয়ে অভিষেক মনু সিংভি বলেন, গৃহবন্দি করা আর জেলে বন্দি থাকার মধ্য়ে কোনও পার্থক্য নেই৷ একই সঙ্গে এই গৃহবন্দি থাকার নির্দেশের বিরোধিতা করেন সিবিআই-এর পক্ষে সওয়াল করা তুষার মেহতাও৷ যদিও নিজেদের মতে অনড় থাকেন দুই বিচারপতি৷

    এর পরেই অভিযুক্তদের পক্ষে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, যত দ্রুত সম্ভব যাতে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে শুনানি শুরু হয়৷ প্রয়োজনে শনিবার এবং রবিবার ছুটির দিনেও শুনানির দাবি জানান তিনি৷ তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, নিম্ন আদালত জামিন দেওয়ার পরও গত ১৭ মে যে তৎপরতার সঙ্গে রাতেই সিবিআই-এর আবেদনের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতের উপরে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট, সেই একই তৎপরতা দেখিয়ে বেলা দুটোর মধ্যে বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করার হোক৷ কার্যত সেই দাবি মেনে নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়, এ দিন বেলা দুটো থেকেই বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে শুনানি শুরু হবে৷

    এর পাশাপাশি অভিযুক্তদের পক্ষে আরও যুক্তি দেওয়া হয়, করোনা পরিস্থিতিতে কোনও কাজই করতে পারছেন না সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমদের মতো মন্ত্রীরা৷ ফলে, তাঁরা যাতে অন্তত সেই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে পারেন, সেই অনুমতি দিক আদালত৷ জানা গিয়েছে, গৃহবন্দি থাকাকালীন চার নেতাকে ভার্চুয়ালি প্রশাসনিক কাজ করার অনুমতি দিয়েছে আদালত৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published: