Home /News /kolkata /
Calcutta High Court: লস্করের আত্মঘাতী বোমা অস্ত্র তৈরির ফাঁসির বিচার, শুনানি শুরু কলকাতা হাই কোর্টে

Calcutta High Court: লস্করের আত্মঘাতী বোমা অস্ত্র তৈরির ফাঁসির বিচার, শুনানি শুরু কলকাতা হাই কোর্টে

লস্করের আত্মঘাতী বোমা মামলার শুনানি

লস্করের আত্মঘাতী বোমা মামলার শুনানি

Calcutta High Court: উত্তর ২৪ পরগনা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে  লস্কর-ই-তইবার সক্রিয় সদস্য রিক্রুটের দায়িত্ব ছিল নঈম ও বিলালের। 

  • Share this:

কলকাতা: সালটা ছিল ২০০৭। বেনাপোল-পেট্রাপোল থেকে সেসময় পুলিশের হাতে ধরা পরে লস্কর-ই-তইবার ৪ সক্রিয় সদস্য৷ মহঃ আবদুল্লা ওরফে আসগর আলি। পাকিস্তানের করাচি'র বাসিন্দা।মহম্মদ ইউনিস ওরফে বিলাল, পাকিস্তানের বাসিন্দা। আব্দুল নঈম ওরফে নায়া, মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। মুজাফফর আহমেদ ওরফে আবু রাফা। কাশ্মীরের বাসিন্দা। ৪ জনেরই কাজ ছিল লস্করের হয়ে সক্রিয় সদস্য সংগ্রহ করা।

নারী , মোটা টাকার লোভ সঙ্গে ফূর্তির দেদার সম্ভার। যুবকদের টেনে লস্করের আত্মঘাতী বোমা বাহিনী তৈরি। পাকিস্তান নেপাল বাংলাদেশ হয়ে বেনাপোল-পেট্রোপোল হয়ে ভারতে ঢোকা। নাশকতার প্রশিক্ষণ, আত্মঘাতী বোমা অস্ত্র তৈরির দোষে দুষ্ট চারজনকেই ফাঁসিতে ঝোলানোর নির্দেশ দেয় বনগাঁ আদালত। ৪ জনকেই ফাঁসির আদেশ দেয় বনগাঁ অতিরিক্ত জেলা জজ।আবদুল নইম এদের মধ্যে অন্যতম মাস্টারমাইন্ড।

মহারাষ্ট্রের এই বাসিন্দার অপরাধের গ্রাফ বেশ দীর্ঘ। জেল থেকে পালানো আসামি নঈম। দিল্লির তিহার জেলে হাই সিকিউরিটি জোনে সর্বক্ষণের জন্য নজরবন্দি। মঙ্গলবার ছুটির দিন কলকাতা হাইকোর্টে দিল্লি পুলিশের একটি বিশেষ দল বিশেষ সুরক্ষা বলয়ে'র সাহায্য নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে পেশ করে আব্দুল নইমকে।

ভারতীয় দণ্ডবিধির  121,121A,122,120B ধারায়  দোষী সাব্যস্ত  মহঃ ইউনিস।  একই ধারায় দোষী হয়ে ফাঁসির সাজা পায় আব্দুল নঈম-সহ অন্যরা। ফাঁসির নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে আপিল করার সুযোগ রয়েছে আইনে। সেই অনুযায়ী ডেথ রেফারেন্স মামলা হয় হাইকোর্টে। পাশাপাশি ক্রিমিনাল আপিল মামলা হয় ফাঁসির নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে। আসগর আলি ও বিলালের পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে ঢাকায় আস্তানা নেওয়া। তারপর বেনাপোল-পেট্রোপোল হয়ে ভারতে ঢোকা।

আরও পড়ুন : ৬-১২ বয়সি শিশুদের করোনা টিকার আগে অ্যান্টিবডি টেস্ট! বুধবার বৈঠকেই কি বড় সিদ্ধান্ত? 

উত্তর ২৪ পরগনা-সহ রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে  লস্কর -ই- তইবার সক্রিয় সদস্য রিক্রুটের দায়িত্ব ছিল নঈম ও বিলালের। মূল কাজ ছিল, আত্মঘাতী বোমা বাহিনী তৈরি। মোটা টাকা, নারী লোভে আচ্ছন্ন করে যুবসমাজকে জঙ্গি সংগঠনে টানা। আর তার জন্য সদস্য সংগ্রহ করে ভারতে বিরুদ্ধে নাশকতা চালানো। দেশদ্রোহীতা, ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধাস্ত্র নির্মান সহ একাধিক আইপিসি ধারায়১৬/১/২০১৭ ফাঁসির আদেশ দেয় ৩ জনকে বনগাঁ আদালত।

লস্কর-ই-তইবা সদস্য পাকিস্তানি মহঃ ইউনিস,মহঃ আবদুল্লা ওরফে আসগর আলি।মুজাফফর আহমেদ ওরফে আবু রাফা। দেশের বিভিন্ন মামলায় বিচারাধীন এই ৪ লস্কর সদস্য। মাঝে জেল থেকে পালায় আব্দুল নঈম ওরফে নায়া, মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা।তাই তাঁর বিচার শেষে ফাঁসির আদেশ হয় ২০১৯ সালে। ফাঁসির আসামি আপিল করার সুযোগ পায় কোলকাতা হাইকোর্টে। এই আপিল মামলা বা ডেথ রেফারেন্স মামলা বা ফাঁসি সুনিশ্চিত করণ মামলার শুনানি হল আজ ছুটির দিনে কলকাতা হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ বসিয়ে।

আরও পড়ুন : এলআইসি আইপিও-র বিনিয়োগকারীরা লাভ করবেন, ইঙ্গিত দিচ্ছে গ্রে মার্কেট!

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয় তার কারণ আব্দুল নঈম কুখ্যাত দুষ্কৃতি। জেল পালানো আসামি। দেশের বিভিন্ন জেলে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে রাখা হয় নঈম কে। দিল্লির তিহার জেলে বন্দী সে এখন। আবদুল নঈম নিজেই এজলাসে শুনানি করতে চায়।  আইনজীবী কল্লোল মণ্ডলকে সওয়ালের করার জন্য এই মামলায় নিযুক্ত করে কলকাতা হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন : বলছেন তো হাজার বার! আপনি OK-র Full Form জানেন? জেনে নিন অবাক করা ইতিহাস!

আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল জানান, আবদুল নঈমের মতন জঙ্গি'কে রাজ্যে বেশিদিন রাখা সিকিউরিটি প্রশ্নে ঝুঁকির। রাজ্য পুলিশের ডিজিপি ও কারা বিভাগের ডিজিকে আদালত নির্দেশ দিয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় আবদুল নইমকে রাখার। কড়া নিরাপত্তার বলয়ে সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ হাইকোর্টে নিয়ে যাওয়া হয় ফাঁসি সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবদুল নঈমকে। দিল্লি পুলিশের বিশেষ দল লস্কর -ই তইবার সদস্যকে নিয়ে আসে। ৪ ফাঁসির আসামির মৃত্যু সুনিশ্চিতকরণ মামলার পরবর্তী শুনানি ১৭ মে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ডিভিশন বেঞ্চে।

Published by:Sanjukta Sarkar
First published:

Tags: Calcutta High Court, Terrorist

পরবর্তী খবর