• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • কলকাতার বারে মাদক কারবারে জড়িত বলি-টলিও ! তদন্তে পুলিশ

কলকাতার বারে মাদক কারবারে জড়িত বলি-টলিও ! তদন্তে পুলিশ

Representational Image

Representational Image

বার সিঙ্গারদের মাধ‍্যমে কলকাতায় নিষিদ্ধ মাদকের কারবার। পর্দাফাঁস করল কলকাতা পুলিশের নারকোটিক্স শাখা। চক্রের অন‍্যতম চাঁই-সহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

  • Share this:

    #কলকাতা: বার সিঙ্গারদের মাধ‍্যমে কলকাতায় নিষিদ্ধ মাদকের কারবার। পর্দাফাঁস করল কলকাতা পুলিশের নারকোটিক্স শাখা। চক্রের অন‍্যতম চাঁই-সহ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বলিউড ও টলিউড অভিনেতা অভিনেত্রীদেরও জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে ৷  তদন্তে নামার পরই পুলিশের হাতে উঠে আসছে একের পর এক তথ্য ৷

    লাগামছাড়া জীবন  ৷ বারের মধ‍্যে দেদার খানা-পিনা সঙ্গে গান ৷ বার সিঙ্গাররা মাতিয়ে তোলেন ৷ আর তাঁদের মাধ‍্যমেই চলে কারবার। নিষিদ্ধ মাদকের কারবার। যার পর্দাফাঁস করল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের নারকোটিক্স শাখা। বৃহস্পতিবার, উত্তর কলকাতা থেকে নিষিদ্ধ মাদকসহ দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন:  প্রতিবন্ধী ভাইঝিকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ব্যক্তির রহস্যমৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত বারাসত

    এর মধ‍্যে পারভেজ কলকাতার বাসিন্দা। আর মেহবুব মুম্বইয়ের। অন্ধকার জগত তাকে চেনে ম‍্যাক্স নামে। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মেহবুব ওরফে ম‍্যাক্স মাদক চক্রের অন‍্যতম চাঁই। মুম্বইয়ে সে নাইজেরিয়দের থেকে এমডিএমএ ড্রাগ কিনত বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। যা আসলে সিন্থেটিক ড্রাগ। এই নিষিদ্ধ মাদক কলকাতায় নিয়ে এসে পারভেজের হাতে তুলে দিত ম‍্যাক্স।

    পুলিশ সূত্রে খবর, পারভেজ আহমেদের কলকাতায় দুটি বার আছে। একটি সদর স্ট্রিটে। আরেকটি বাইপাসের ধারে। পুলিশের দাবি, এই সব বারের সিঙ্গারদের মাধ‍্যমেই নিষিদ্ধ মাদকের কারবার চালাত পারভেজ ৷ বার থাকায় তার খদ্দেরের অভাব হত না। আর, একবার এই নিষিদ্ধ মাদকের নেশা ধরিয়ে দিতে পারলে খদ্দেররাও ফিরে ফিরে আসে। বৃহস্পতিবার এই পারভেজ ও মেহবুবকে হাতেনাতে ধরে পুলিশ। তাদের থেকে উদ্ধার হয়েছে ১১ গ্রাম নিষিদ্ধ সিন্থেটিক মাদক ৷ যার বাজার মূল‍্য ৪ লক্ষ টাকারও বেশি ৷

    গ্রেফতার হওয়া ২ জনকেই ২ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতার নগর দায়রা আদালত। পুলিশ তদন্তে জানতে পেরেছে, এই নিষিদ্ধ মাদক কারবারিদের মূল টার্গেটে থাকেন উচ্চবিত্তরা। মুম্বই, কলকাতার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের একাংশও এই মাদকচক্রের সঙ্গে যুক্ত কি না, জেরা করে তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

    First published: