• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • মৃত্যুর পরের দিন রোগীর রক্তপরীক্ষা, বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ রোগীর পরিবার

মৃত্যুর পরের দিন রোগীর রক্তপরীক্ষা, বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ রোগীর পরিবার

মৃত্যুর পরের দিন রোগীর রক্তপরীক্ষা। সেই রক্তপরীক্ষার জন্যেও টাকা নেওয়া হয় রোগীর আত্মীয়ের থেকে।

মৃত্যুর পরের দিন রোগীর রক্তপরীক্ষা। সেই রক্তপরীক্ষার জন্যেও টাকা নেওয়া হয় রোগীর আত্মীয়ের থেকে।

মৃত্যুর পরের দিন রোগীর রক্তপরীক্ষা। সেই রক্তপরীক্ষার জন্যেও টাকা নেওয়া হয় রোগীর আত্মীয়ের থেকে।

  • Share this:

    #কলকাতা: মৃত্যুর পরের দিন রোগীর রক্তপরীক্ষা। সেই রক্তপরীক্ষার জন্যেও টাকা নেওয়া হয় রোগীর আত্মীয়ের থেকে। শহরের নামী নার্সিংহোম ফর্টিসে এমনই অদ্ভূত ঘটনার সাক্ষী বর্ষীয়ান আইনজীবী অশোক মুখোপাধ্যায়। তাঁর ভয়াবহ অভিজ্ঞতা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। একের পর এক নামী নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে ওঠা ভুরি ভুরি অভিযোগই দেখিয়ে দিচ্ছে, শহরের বেসরকারি চিকিৎসা পরিষেবার ভয়ানক ছবিটা।

    দীর্ঘদিন ধরেই কিডনি সংক্রান্ত অসুখে ভুগছিলেন আইনজীবী অশোক মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী রত্না মুখোপাধ্যায়। চলতি মাসের সাত তারিখ তাঁকে দেশপ্রিয় পার্কের নামী নার্সিংহোম ফর্টিসে ভরতি করা হয়।

    মৃতের রক্তপরীক্ষা!

    - ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে রক্তপরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয় রত্না মুখোপাধ্যায়ের - সেদিন সন্ধেয় নার্সিংহোমেই মৃত্যু হয় তাঁর - রক্ত সংগ্রহের ২৪ ঘণ্টা পর তা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয় - সেই পরীক্ষার জন্য রোগীর পরিবারের থেকে টাকাও নেয় ফর্টিস কর্তৃপক্ষ

    যদিও এবিষয়ে মুখ খুলতে চায়নি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ।

    এই ঘটনাতেই স্তম্ভিত অশোক মুখোপাধ্যায়। বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ শহরের বর্ষীয়ান এই আইনজীবী।

    অশোক মুখোপাধ্যায়ের অভিজ্ঞতা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের পর, শহরের নার্সিংহোমগুলির বিরুদ্ধে এমন ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠে আসছে।

    ২০১৫-র অক্টোবরে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টের জন্য স্ত্রীকে ফর্টিসে ভর্তি করেছিলেন যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজের অধ্যক্ষ পঙ্কজকুমার রায়।

    অস্ত্রোপচারের জন্য তাঁর থেকে আগাম ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিল নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। কিন্তু অস্ত্রোপচার তো হয়ইনি, উপরন্তু জমা টাকার থেকে মাত্র কয়েক হাজারই ফেরত পেয়েছিলেন পঙ্কজকুমার রায়। সেবছরই চিকিৎসা করাতে অসুস্থ স্ত্রীকে বাইপাসের ধারে অ্যাপোলোতে ভর্তি করেছিলেন তিনি। সেখানে কোনও অস্ত্রোপচারের আগেই মৃত্যু হয় তাঁর স্ত্রী স্বেতা রায়ের। রোগীকে বাঁচাতে না পারলেও, পঙ্কজকুমার রায়ের হাতে ১৪ লাখ টাকার বিল ধরিয়েছিল অ্যাপোলো কর্তৃপক্ষ

    এমনকি মৃতদেহ ছাড়তেও আগাম চেক দিতে হয়েছিল তাঁকে।

    সম্প্রতি শহরের বেসরকারি হাসপাতালগুলির বেহাল স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে দেখেই বেশি করে এগিয়ে আসছেন অশোক মুখোপাধ্যায়, পঙ্কজকুমার রায়রা। কিন্তু তাতেও কি রোগ সারবে নার্সিংহোমগুলির? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

    First published: