• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • BELGHARIA EXPRESSWAY BECOME ACCIDENT PRONE AS MONSOON HITS BENGAL AKD

বর্ষার শুরুতেই বেহাল বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে,রাস্তা জুড়ে মরণফাঁদ

এমনই বিপজ্জনক অবস্থা বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েতে।

সন্ধ্যা নামলেই রাস্তার দু'ধারের দোকানের সামনে বাইক, গাড়ি, লরি যে ভাবে পার্কিং করে রাখা হয়েছে তাতে আরও দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।

  • Share this:

#কলকাতা: বর্ষার শুরুতেই বেহাল বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে। বিমানবন্দর ও দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে রাস্তার দু'প্রান্তে থাকা লেনগুলির অবস্থা এতটাই খারাপ যে প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা, এমনটাই অভিযোগ স্থানীয়দের। এছাড়া সন্ধ্যা নামলেই রাস্তার দু'ধারের দোকানের সামনে বাইক, গাড়ি, লরি যে ভাবে পার্কিং করে রাখা হয়েছে তাতে আরও দুর্ঘটনা ঘটছে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়রা।

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে। বিমানবন্দরের সঙ্গে দক্ষিণেশ্বর  যুক্ত হয়েছে এই এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে। আদতে এটি জাতীয় সড়কের অন্তর্ভুক্ত হলেও এখন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে রাজ্যের হাইওয়ে ডিভিশন। বাংলাদেশ হোক বা শিলিগুড়ি, অসমের গাড়ি যাতায়াত করে এই এক্সপ্রেসওয়ে ধরে। ফলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তার হাল বেহাল হওয়ায় চূড়ান্ত অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সকলকে।

দক্ষিণেশ্বর থেকে বিমানবন্দরগামী রাস্তায় বরানগর মেট্রো স্টেশনের সামনে রাস্তার ওপরে প্রায় ২ কিমি অংশ নানা জায়গায় খানা খন্দে ভরে আছেঅন্যদিকে মাঠকলের কাছ থেকে বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ের ওপরে থাকা বিমানবন্দর সেতুর আগে পর্যন্ত রাস্তার হাল বেহাল হয়ে পড়ে আছে। ঠিক বিপরীত দিকের লেনে বরানগর স্টেশনের কাছে যে সাবওয়ে আছে সেখানেও তৈরি হয়ে আছে একাধিক খানা খন্দ। এই সাবওয়ের বিপরীতের রাস্তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে ৪০ সেকেন্ডের রাস্তা পেরোতে ১০ মিনিট লাগছে। সাবওয়ের ছাদ ফুটো হয়ে ক্রমাগত জল পড়ে যাচ্ছে।

রাস্তায় একাধিক বড় বড় খন্দ তৈরি হয়ে গেছে। আর এখানেই প্রতিদিন গাড়ির যন্ত্রাংশ ভাঙছে। ফলে নিত্যদিন রাস্তায় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকছে। যথাসময়ে ক্রেন না থাকার কারণে সেই গাড়ি সরাতেও যথেষ্ট সময় লাগে। ফলে নিত্যদিন যানজটের সম্মুখীন হতে হচ্ছে সকলকে। এই অবস্থার কবে বদল হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা ও ভুক্তভোগীরা। এক্সপ্রেসওয়ে দেখভালের দায়িত্বে আছে আপাতত পূর্ত দফতরের হাইওয়ে ডিভিশন। তাদের বক্তব্য, রাস্তার কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। প্যাচ ওয়ার্ক  করা হবে। বর্ষা চলে গেলে পুরো রাস্তার কাজ হবে।

Published by:Arka Deb
First published: