কিলিমাঞ্জারো পর্বতশৃঙ্গ জয় বাঙালির
Last Updated:
শঙ্করও ওখানে গিয়েছিল। চাঁদের পাহাড়ের শঙ্কর। যে চাঁদের পাহাড় বাঙালির শিরায় শিরায় অ্যাডভেঞ্চার বুনে দিয়েছে বহু কাল ধরেই।
#কলকাতা: শঙ্করও ওখানে গিয়েছিল। চাঁদের পাহাড়ের শঙ্কর। যে চাঁদের পাহাড় বাঙালির শিরায় শিরায় অ্যাডভেঞ্চার বুনে দিয়েছে বহু কাল ধরেই। যে অ্যাডভেঞ্চারের মননে ঘাঁটি গেড়ে বসে আছে আফ্রিকা মহাদেশ। ছোটবেলাতেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাঁদের পাহাড় গেলা হয়ে গিয়েছে। বড় হওয়ার পরেও সেই স্বপ্ন মিলিয়ে যেতে দেয়নি স্নেহেশ, শতদল। হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট থেকে কোর্স করার পরেই কিলিমাঞ্জারো পর্বত শৃঙ্গ জয়ের ইচ্ছেটা আরও জাঁকিয়ে বসেছিল। সেভেন সামিটের একটি এই কিলিমাঞ্জারোর উচ্চতা পাঁচ হাজার আটশো পঁচানব্বই মিটার। ১৫ তারিখ রাতে শৃঙ্গ জয়ের পথে পা বাড়িয়েছিলেন শতদল সাঁতরা ও স্নেহেশ চট্টোপাধ্যায়। লেমষ রুট ধরে একে একে শিরা ওয়ান, শিরা টু পরে বারাঙ্কু হয়ে সেই কিলিমাঞ্জারো।
পর্বতোরোহীদের মতে ত্রিস্তর বিশিষ্ট এই পর্বতশৃঙ্গে সামিট করতে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। তাই বিপদের সম্ভাবনা তুলনায় কিছুটা কম। তারপরেই কিলিমাঞ্জারোর সেই রূপ। যেখানে অনায়াসেই পৌঁছে গেছে শতদল, স্নেহেশরা। তবে উচ্চতায় কম হলেও, তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল অনেকদিন আগে থেকেই।
বিভূতিভূষণের লেখায় চাঁদের পাহাড় যা ছিল শুধুই কল্পনায়, স্যাটেলাইটের যুগে এখন আমাদের কাছে সেই অর্ধচন্দ্রাকৃতি আগ্নেয়গিরি-ই অনেকটা চেনা। তবে চাঁদের পাহাড়ে আজ আর শঙ্করকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও, ব্যাগপ্যাকার্স বাঙালির কাছে কিলিমাঞ্জারোর নেশা যে একটুও কমেনি, সত্যরূপ, স্নেহেশ, শতদলের শৃঙ্গজয়ই তার প্রমাণ।
advertisement
Location :
First Published :
Oct 18, 2016 4:59 PM IST









