IPL 2021: বোলিং আক্রমণে নাইটদের নেতা প্যাট কামিন্স

IPL 2021: বোলিং আক্রমণে নাইটদের নেতা প্যাট কামিন্স

বল হাতে নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে তৈরি কামিন্স

নিজের দায়িত্ব তিনি জানেন। বল হাতে বিপক্ষ শিবিরে ত্রাস তৈরি করা এবং উইকেট তুলে নেওয়া। নেটে পরিশ্রমে কোনও খামতি রাখছেন না প্যাট কামিন্স।

  • Share this:

    #চেন্নাই: গতবার রেকর্ড পরিমাণ অর্থে তাঁকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। টেস্ট ক্রিকেটে পৃথিবীর এক নম্বর বোলার তিনি। অথচ গতবার লিড বোলার হিসেবে ব্যর্থ বলা চলে তাঁকে। দশ ম্যাচ খেলে পেয়েছিলেন মাত্র তিনটি উইকেট। ব্যাট হাতে অবশ্য কিছু রান করেছিলেন। কিন্তু দলের প্রধান উইকেট টেকার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারেননি। এবার পুরনো হিসেব পাল্টে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা নিয়েছেন প্যাট কামিন্স। দীর্ঘদেহী অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার জানিয়ে দিয়েছেন এবার বেশকিছু প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলে ফেলায় নিজেকে ভারতীয় উইকেটের চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পেরেছেন।

    ভারতের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজে যথেষ্ট ভাল বল করেছিলেন। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ভারতীয় উপমহাদেশের উইকেটের চরিত্র আলাদা। এখানে সফল হতে গেলে লাইন, লেন্থ বদলাতে হয়। গুড লেন্থ স্পটের ওপর বেশি জোর দিতে হয়। পাশাপাশি গতির থেকেও বেশি বলের সিম সোজা রাখার দিকে মন দিতে হয়। শেষ কয়েকদিন অনুশীলনে এই টেকনিক্যাল দিকের ওপরই জোর দিয়েছেন। আশা করছেন উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি বিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের ডেথ ওভারেও যথেষ্ট বেগ দেবেন তিনি।

    পাশাপাশি তরুণ ভারতীয় ব্যাটসম্যান শুভ মান গিলকে নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত তিনি। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভারতের ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের শুরুটা যে হয়েছিল এই তরুণ ওপেনারের ব্যাটে। ব্রিসবেনে সেদিন গিল ৯১ করে ফিরে গেলেও ওই ইনিংসটা ভিত মজবুত করেছিল ভারতীয় দলের। কামিন্স জানিয়েছেন গিল ভারতের ভবিষ্যৎ সুপারস্টার। এত কম বয়সে এত ঠান্ডা মানসিকতা খুব কম ক্রিকেটারের হয়। কেকেআর শিবিরে ভারতীয় ব্যাটসম্যানের সঙ্গে মিশে তিনি বুঝতে পেরেছেন মাঠের ভেতর নিজেকে একেবারেই চাপে রাখেন না গিল। এটাই সাফল্যের মূলমন্ত্র।

    পাশাপাশি তিনি মনে করেন এবার নাইট রাইডার্স দলের ভেতর বৈচিত্র বেশি। ক্রিকেট পন্ডিত যাঁরা, তাঁরা এবারও কেকেআর দলকে প্লে-অফে দেখছেন না। তাঁদের নিয়ে চিন্তিত নন অস্ট্রেলিয়ান তারকা। বলছেন ক্রিকেট কাগজে কলমে নয়, খেলা হয় মাঠে। গতবার অল্পের জন্য শেষ চারের টিকিট পায়নি দল। এবার বুদ্ধি করে দলের দুর্বল জায়গাগুলো মেরামত করার চেষ্টা হয়েছে।

    নিজের দায়িত্ব তিনি জানেন। বল হাতে বিপক্ষ শিবিরে ত্রাস তৈরি করা এবং উইকেট তুলে নেওয়া। নেটে পরিশ্রমে কোনও খামতি রাখছেন না প্যাট কামিন্স। কথায় বলে পরিশ্রমের ফল অবশ্যই পাওয়া যায়। এখন দেখার দলের সিনিয়র ক্রিকেটার হিসেবে গতবারের ব্যর্থতা মুছে দিতে পারেন কিনা কামিন্স।বিশাল অর্থের প্রতিদান দিতে পারেননি তিনি। এই অভিযোগ এবার মুছে দিতে পারেন কিনা সেটাই দেখার।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: