• Home
  • »
  • News
  • »
  • ipl
  • »
  • DAVID MILLER AND CHRIS MORRIS SHINES WITH BAT AS RAJASTHAN ROYALS BEAT DELHI CAPITALS RRC

RR vs DC: মিলার, মরিসের ব্যাটে জিতল রাজস্থান

রাজস্থানের হয়ে ব্যাট হাতে ভিত গড়লেন মিলার

দুই বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নিল রাজস্থান। মরিসের ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস পার্থক্য করে দিল

  • Share this:
    রাজস্থান জয়ী ৩ উইকেটে #মুম্বই: দিল্লির দেওয়া রান তাড়া করতে নেমে প্রথমেই ধাক্কা খেতে হল রাজস্থানকে। তৃতীয় ওভারে ক্রিস ওকস ফিরিয়ে দিলেন ভোরা এবং বাটলারকে। পরপর দুটো বলে বিরাট ধাক্কা খেল গোলাপি ব্রিগেড। সঞ্জু স্যামসন মাত্র ৪ করে ফিরে গেলেন। রাবাদার বলে স্লিপে শিখর ধাওয়ান ক্যাচ ধরলেন। শিবম দুবে ফিরে গেলেন মাত্র ২ করে। ফিরিয়ে দিলেন আবেশ খান। রিয়ান পরাগ আউট হলেন সেই আবেশ খানের বলে। কিন্তু একা লড়াই চালিয়ে যেতে থাকলেন ডেভিড মিলার। বেন স্টোকস না থাকায় দলে সুযোগ পেলেন। ৬২ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে গেলেন। এই লড়াইটা ম্যাচে রেখেছিল রাজস্থানকে। তেওয়াটিয়া ফিরে গেলেন ১৯ করে। উইকেট নিলেন রাবাডা। লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ক্রিস মরিস। আইপিএলে সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার এদিন যেন নিজের মূল্যের সঠিক বিচার করবেন বলে নেমেছিলেন। স্বদেশী রাবাডার বলে দুটো বিশাল ছক্কা মারেন। শেষ ওভারে দরকার ছিল ১২ রান। টম কারানকে দ্বিতীয় বলেই মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা মারলেন। যাবতীয় প্রশ্নের জবাব দিলেন ব্যাট হাতে। চতুর্থ বলে ফের ওভার বাউন্ডারি মারলেন। দুই বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নিল রাজস্থান। মরিসের ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস পার্থক্য করে দিল। তবে দুটো বলই ফুলটস করেছিলেন কারান। প্রথম ম্যাচে পঞ্জাবের কাছে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের মুখ দেখল রাজস্থান। প্রথম ম্যাচে অল্পের জন্য জয় হাতছাড়া হয়েছিল। এদিন দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই আলাদা মোটিভেশন নিয়ে মাঠে নেমেছিল রাজস্থান। আর্চার নেই, ছিটকে গিয়েছেন বেন স্টোকস। কিন্তু লড়াইয়ের পথ থেকে সরে আসেনি রাজস্থান।বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজস্থান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। তাঁর সিদ্ধান্ত যে সঠিক সেটা প্রমান হয়ে গেল প্রথম ছয় ওভারে। জয়দেব উনাদকট আজ প্রথম ম্যাচ খেলেন রাজস্থানের হয়ে। শিখর ধাওয়ান, পৃথ্বী শ এবং রাহানের উইকেট তুলে নিয়ে প্রথম থেকেই ব্যাকফুটে ঠেলে দিলেন দিল্লিকে। মুস্তাফিজুর ফিরিয়ে দিলেন স্টোইনিসকে। বাংলাদেশ পেসারের স্লোয়ার বুঝতেই পারলেন না অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান। ৩৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছে দিল্লি ক্যাপিটালস। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ এবং ললিত যাদব খেলাটা ধরার চেষ্টা করলেন।এদিন ললিতের ছিল প্রথম ম্যাচ। পন্থকে ভরসা দিলেন। অন্যদিকে দিল্লি অধিনায়ক প্রথম দিকে চাপ সামলে পাল্টা আক্রমণ শুরু করলেন। ৩০ বলে ৫০ করলেন। শুধু বড় শট নয়, স্ট্রাইক রোটেট করে স্কোরবোর্ড চালু রাখলেন। এদিনও রিয়ান পরাগের সেই অদ্ভুত ভঙ্গিতে বল করা দেখা গেল। রাজস্থান এদিন প্রথম দলে চেতন সাকারিয়া, জয়দেব এবং মুস্তাফিজুর- তিন লেফট আর্ম পেসারকে খেলাল। মন্থর গতিতে বল করে তিনজনেই দিল্লি দলে কাঁপুনি ধরিয়ে দিলেন। ঠিক মনে হচ্ছিল পন্থ যখন বড় রানের দিকে এগিয়ে চলেছেন, তখনই ঘটে গেল বিপত্তি। রান নিতে গিয়ে পরাগের ডিরেক্ট থ্রোয়ে ফিরে যেতে হল দিল্লির অধিনায়ককে। অসমের ক্রিকেটারটি এরপর তাঁর ট্রেডমার্ক বিহু নাচলেন। দলের বাকিরাও যোগ দিলেন সেলিব্রেশনে। অতীতেও রিয়ানকে বিহু নাচতে দেখা গিয়েছিল। তখন সঙ্গী হয়েছিলেন আর্চার। মেজাজ হারিয়ে ফেললেন ঋষভ। দলের অধিনায়ক বলে কথা! কিন্তু একটা ভুল রান নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিপদ ডেকে আনল। এরপর ললিত ২০ করে ফিরে গেলেন। কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করলেন টম কারান। ২১ করে ফিরে যেতে হল মুস্তাফিজুর রহমানের স্লোয়ার বুঝতে না পেরে। এদিন বাংলাদেশ তারকা বুদ্ধি করে বল করলেন। গতির হেরফের ঘটালেন অসাধারণ নিয়ন্ত্রণে। অশ্বিন এবং ওকস চেষ্টা করে দিল্লিকে দেড়শো রানের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু শক্তিশালী দিল্লির ব্যাটিং লাইনআপ এদিন থেমে যেতে হল মাত্র ১৪৭ রানে।সঞ্জু বনাম ঋষভ লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলেন সঞ্জু।
    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: