IPL 2021: অশ্বিনের সুখের সংসারে বড় বিপদ, পরিবারের দশজন একসঙ্গে হাসপাতালে!

IPL 2021: অশ্বিনের সুখের সংসারে বড় বিপদ, পরিবারের দশজন একসঙ্গে হাসপাতালে!

পরিবারের ছজন বয়স্ক এবং চারজন বাচ্চা হাসপাতালে ভর্তি।

পরিবারের ছজন বয়স্ক এবং চারজন বাচ্চা হাসপাতালে ভর্তি।

  • Share this:

    #চেন্নাই:

    পরিবারের এমন বিপদের সময় তিনি কী করে ক্রিকেটে মনোনিবেশ করতেন! সেই জন্যই এবারের আইপিএল থেকে রবিচন্দ্রন অশ্বিন সাময়িক ব্রেক নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। চলতি আইপিএলে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর মতো স্পিনার দলে থাকা মানে বাড়তি ভরসা। কিন্তু বাধ্য হয়েই এবারের আইপিএল থেকে নাম তুলে নিয়েছেন অশ্বিন। টুনামেন্ট চলাকালীন আচমকা টুইট করে অশ্বিন জানিয়েছিলেন, ব্যক্তিগত কারণে এবার আইপিএল থেকে তাঁকে সাময়িক ব্রেক নিতে হচ্ছে। তবে তিনি আবার আইপিএলে ফিরবেন কিনা সেই ব্যাপারেও পাকাপাকি কিছু জানাননি। শুধু বলেছিলেন, পরিস্থিতি ঠিকঠাক থাকলে তিনি আবার ফিরতে পারেন। অশ্বিনের পরিবারে এখন সত্যিই বড় বিপদ।

    পরিবারের ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি। রবিচন্দ্রন অশ্বিনের স্ত্রী প্রীতি নারায়নন জানিয়েছেন, তাঁদের পরিবারের ছজন বয়স্ক এবং চারজন বাচ্চা করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। গত এক সপ্তাহের মধ্যে একসঙ্গে পরিবারের ১০ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যেকেই আলাদা হাসপাতালে ভর্তি। আপাতত মাত্র একজন হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন। দেশবাসীকে করোনা টিকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। আরও জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ ধরে যেন তাঁদের পরিবার দুঃস্বপ্নের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। করোনা মহামারীর এই সময় তাঁর পরিবারের প্রত্যেকের মানসিক অবস্থা বেশ খারাপ। শরীরের অসুস্থতা কিছুদিনের মধ্যেই সেরে উঠবে হয়তো। তবে মানসিক স্বাস্থ্য সারতে অনেক সময় লাগবে।

    অশ্বিনের স্ত্রী জানিয়েছেন, করোনা আক্রান্তদের পরিবারের লোকজন এই সময় একেবারে একা হয়ে যায়। তিনি আরও জানান, ৫ থেকে ৮ দিনের মাথায় সব থেকে খারাপ সময় চলে। সেই সময় করোনা আক্রান্ত রোগীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সবার কাছে আবেদন করেছেন প্রীতি। এদিকে, মে মাসের প্রথম দিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড গড়ল দেশ। শনিবার সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার লাখেরও বেশি। এই মহামারী কবে কাটবে কেউ জানে না। গোটা বিশ্ব আবার কবে স্বাভাবিক নিয়মে ফিরবে, তার কোনও আন্দাজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ভ্যাকসিন, করোনা বিধি পালন ও একে অপরকে সাহায্য করার মধ্যে দিয়ে হয়তো কোনোদিন জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরবে। আপাতত এই আশাতেই সবাই রয়েছেন

    Published by:Suman Majumder
    First published: