• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • প্ল্যানচেটে স্বামীর আত্মাকে ডেকে সঙ্গমে লিপ্ত হই ! মহিলার মন্তব্যে শোরগোল

প্ল্যানচেটে স্বামীর আত্মাকে ডেকে সঙ্গমে লিপ্ত হই ! মহিলার মন্তব্যে শোরগোল

 সময় হিসেব করলে ঘটনাটি প্রায় দু’বছর আগেকার ৷ তবে এমন ঘটনা, যা বার বার নাড়া দেয়, বার বার ফিরে আসে ইন্টারনেটে ৷ ভাবছেন কী এমন খবর?

সময় হিসেব করলে ঘটনাটি প্রায় দু’বছর আগেকার ৷ তবে এমন ঘটনা, যা বার বার নাড়া দেয়, বার বার ফিরে আসে ইন্টারনেটে ৷ ভাবছেন কী এমন খবর?

সময় হিসেব করলে ঘটনাটি প্রায় দু’বছর আগেকার ৷ তবে এমন ঘটনা, যা বার বার নাড়া দেয়, বার বার ফিরে আসে ইন্টারনেটে ৷ ভাবছেন কী এমন খবর?

  • Share this:

    #লন্ডন: সময় হিসেব করলে ঘটনাটি প্রায় দু’বছর আগেকার ৷ তবে এমন ঘটনা, যা বার বার নাড়া দেয়, বার বার ফিরে আসে ইন্টারনেটে ৷ ভাবছেন কী এমন খবর?

    ২ বছর আগে প্রকাশ্যে লন্ডনের এক মহিলা জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীর মৃত্যু হওয়ার পর স্বামীর সঙ্গেই যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হন তিনি ! প্রাথমিকভাবে অনেকেই মহিলার সেই কথাকে পাত্তা দেননি ৷ অনেকে তো মহিলাকে মানসিক দিক থেকে অসুস্থ বলেও জানিয়েছেন ৷ তবে মহিলা কিন্তু তাঁর কথা থেকে একেবারেই নড়েননি চড়েননি ৷ বরং বার বার নানা তথ্যপ্রমাণ নিয়ে হাজির হয়েছেন !

    মহিলা জানিয়েছেন, ‘আমার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে ৩ বছর আগে ৷ স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই মানসিক দিক থেকে মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম আমি ৷ কিছুই ভালো লাগত না ৷ ঘরের মধ্যে নিজেকে বন্দি করে রেখেছিলাম ৷ তারপর হঠাৎ একদিন মাঝরাতে আমার সঙ্গে এমন এক ঘটনা ঘটল, যা আমাকের ফের চনমনে করে তুলল ! ’

    মহিলা এক বিদেশি ম্যাগাজিনকে এসব বলতে গিয়ে, আরও জানালেন, ‘প্রত্যেক শনিবার রাতে আমার স্বামীর আত্মা হাজির হয় আমার বেডরুমে ৷ আমার স্তনযুগলে হাত রাখে, আমাকে চুমু খায় ৷ তারপর আমরা উদ্দ্যম যৌনতায় লিপ্ত হই ৷ অনেক সময় আমি প্ল্যানচেট করে স্বামীর আত্মাকে ডাকি৷ তারপর দু’জনে যৌনতায় লিপ্ত হই ৷’

    মহিলার কথায়, ‘বেঁচে থাকতে আমার স্বামী আমার ভ্যাজাইনাতে পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করতো৷ তবে এখন আমার মলদ্বারেই পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করায় ৷ আমারও এই যৌনতা ভালো লাগে...’

    বিদেশি ম্যাগাজিনে এ খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই চারিদিকে শোরগোল পড়ে যায়৷ চিকিৎসকদের কথায়, গভীর মানসিক চাপ থেকেই এই ধরনের অলীক স্বপ্নকে তিনি বাস্তব মনে করছেন !

    Published by:Akash Misra
    First published: