বান্ধবীকে জন্মদিনে উপহার দিতে উটের ছানা চুরি করল যুবক!

বান্ধবীকে জন্মদিনে উপহার দিতে উটের ছানা চুরি করল যুবক!
প্রতীকী ছবি

খামার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে উটের ছানাটির খোঁজ মেলে। কিন্তু যে বাড়িতে সে ছিল, তার মালিক জানায়, উটের ছানাটি তাঁর বাড়িতে চলে এসেছে।

  • Share this:

#দুবাই: জন্মদিনে সঙ্গীকে উপহার দেওয়া সব মানুষের কাছেই খুব স্পেশ্যাল একটা ব্যাপার। মনের মানুষের স্পেশ্যাল দিনটিকে আরও স্পেশ্যাল করে তোলার চেষ্টা সকলেরই থাকে। উপহার কেমন হবে, কোনটা সঙ্গীর ভালো লাগবে সেই নিয়ে পরিকল্পনা থাকে বিস্তর। কেউ হাতে বানানো জিনিস দিয়ে খুশি করে, কেউ আবার সঙ্গীর পছন্দের কোনও জিনিস দিয়ে। অনেকে তো রাশি মিলিয়েও উপহার দিয়ে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে সঙ্গী আবার নিজেই চেয়ে নেয় কী উপহার লাগবে! এমনই এক সঙ্গীর ইচ্ছে মেটাতে, তাকে তার পছন্দ মতো উপহার দিতে উটের ছানা চুরি করলেন দুবাইয়ের এক ব্যক্তি। তার পর?

চাওয়ার কোনও সীমা নেই, এমন এক প্রবাদ বাক্য বাড়ির বড়রা অনেক সময়েই বলে থাকেন। এই চাওয়া-পাওয়া বা ইচ্ছে মেটাতে কত মানুষ কত কিছুই না করেন! সেই চাওয়া-পাওয়া যদি নিজের না হয়ে সঙ্গীর হয়, তাহলে তো সে দিকে বাড়তি মনোযোগ দিতেই হয়। তবে ওই যুবক বোধ হয় স্বপ্নেও ভাবেননি যে তাঁর বান্ধবী জন্মদিন উপলক্ষ্য়ে একটা উটের ছানা চেয়ে বসবেন!

Gulf Today-র রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, চলতি মাসে জন্মদিন ছিল ওই ব্যক্তির বান্ধবীর; জন্মদিন উপলক্ষ্যে উট উপহার দিতে হবে, এমনই অদ্ভুত দাবি জানিয়েছিলেন ওই মহিলা। বান্ধবীকে খুশি করতে উট উপহার দিতেই হবে, কিন্তু কিনে দেওয়ার ক্ষমতা নেই। যা কেনার ক্ষমতা নেই, তা চুরি করলেই হয়। এমনই ভাবনা থেকে একটি উট খামার থেকে এক সদ্যজাত উটকে চুরি করেন ওই যুবক।


খামারের মালিক পরের দিন সকালে উটের ছানাটিকে দেখতে না পেয়ে খোঁজা শুরু করেন। কোথাও না পাওয়ায় পুলিশে খবর দেন। একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন তিনি।

পুলিশ খামারে পৌঁছে উটের ছানাটির সন্ধানে তল্লাশি চালায় ঠিকই কিন্তু কোথাও সেটার খোঁজ মেলে না। এর পরই পুলিশ বোঝে যে উটের ছানাটি চুরি হয়েছে। শুরু হয় তদন্ত।

খামার থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে উটের ছানাটির খোঁজ মেলে। কিন্তু যে বাড়িতে সে ছিল, তার মালিক জানায়, উটের ছানাটি তাঁর বাড়িতে চলে এসেছে। কিন্তু পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং উটের ছানাটি কতটা যেতে পারে, সেই সব বিবেচনা করে পুলিশের সন্দেহ হয়। ওই ব্যক্তিকে চাপ দিলেই তিনি এর পর পুরো ঘটনাটি স্বীকার করেন।

দুবাই পুলিশ শেষে গ্রেপ্তার করে ওই ব্যক্তিকে এবং ছানাটিকে খামারের মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেয়।

গার্গী দাস

Published by:Raima Chakraborty
First published: