Fastest Labour: এত কম সময়ে সন্তান প্রসব! মাত্র ২৭ সেকেন্ডে শিশুর জন্ম দিয়ে রেকর্ড গড়লেন মহিলা

এত কম সময়ে সন্তান প্রসব! মাত্র ২৭ সেকেন্ডে শিশুর জন্ম দিয়ে রেকর্ড গড়লেন মহিলা!

সূত্রের খবর, মাঝ রাতে তলপেটে অতি সামান্য ব্যথা হচ্ছিল। শৌচাগারে গিয়েছিলেন তিনি। এক মিনিটও সময় লাগেনি তাঁর সন্তান প্রসব করতে।

  • Share this:

#হ্যাম্পশায়ার: বলা হয় যে একজন মহিলার কাছে মা হওয়াটা সব থেকে বড় এক অনুভূতি। তবে একটি শিশুর জন্ম দেওয়া চারটিখানি বিষয় নয়। গর্ভাবস্থা কাটিয়ে প্রসবের সময় অসহনীয় যন্ত্রনার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় মাকে। প্রসবের সময় বেশ খানিকটা সময় লাগে। আর সেই সময়ে প্রসূতিকে ভীষণ যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়। তবে কারও ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগে, আবার কারও কম সময়ের মধ্যেই প্রসব সম্পন্ন হয়। এই কম সময়ে প্রসবের ক্ষেত্রে রেকর্ড তৈরি করেছেন ইউনাইটেড কিংডমের বাসিন্দা এক মহিলা। সব চেয়ে কম সময়ে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন তিনি। প্রসব যন্ত্রণা শুরু হওয়া থেকে সন্তানের জন্ম দিতে তিনি নিয়েছেন মাত্র ২৭ সেকেন্ড।

হ্যাম্পশায়ারের বেইসিংস্টকে ২৯ বছরের সোফি বাগ (Sophie Bugg) তাঁর স্বামী ক্রিসের (Chris) সঙ্গে থাকেন। সোফি ৩৮ সপ্তাহের গর্ভাবস্থার পর তাঁর কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। সূত্রের খবর, মাঝ রাতে তলপেটে অতি সামান্য ব্যথা হচ্ছিল। শৌচাগারে গিয়েছিলেন তিনি। এক মিনিটও সময় লাগেনি তাঁর সন্তান প্রসব করতে। শৌচাগারে ঢোকার পর মোট ২৭ সেকেন্ড সময় লেগেছে তাঁর। সেই সময়ে বাড়িতে তাঁর স্বামী ক্রিস ছিলেন, সোফিকে এই অবস্থায় দেখে তিনি হতবাক হয়ে যান। তবে নবজাতক কন্যাসন্তানকে নিজের কোলে পেয়ে তাঁর মুখে হাসি ফোটে।

সোফি ডেইলি মেইলকে (Daily Mail) দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। মারাত্মক প্রসব যন্ত্রণা তাঁর ছিল না। সামান্য একটু অস্বস্তি হচ্ছিল শুধু। তলপেটে অতি সামান্য ব্যথা হচ্ছিল। শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করছিলেন তিনি। কমোডে বসার পরই তিনি বুঝতে পারেন সন্তান বেরিয়ে আসছে। ওই অবস্থাতেই শৌচাগার থেকে বেরিয়ে আসেন সোফি। তত ক্ষণে বাচ্চার মাথা বেরিয়ে এসেছিল। মুহূর্তের মধ্যে সন্তানের জন্ম দেন তিনি। ২৩ মার্চ এই ঘটনাটি ঘটে। শিশু কন্যার নাম রাখা হয়েছে মিলি (Millie)। নির্ধারিত সময়ের আগে জন্ম নিলেও মিলি এখন সুস্থ রয়েছে। এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে তবে ২৭ সেকেন্ডে প্রসবের ঘটনা নবতম সংযোজন বলে মনে করা হচ্ছে বিশ্বের নিরিখে।

Published by:Ananya Chakraborty
First published: