নোবেল কমিটির বিশেষ সম্মান, ভ্যালেন্টাইন'স ডে-র 'সেরা' জুটি অভিজিৎ-এস্থার!

নোবেল কমিটির বিশেষ সম্মান, ভ্যালেন্টাইন'স ডে-র 'সেরা' জুটি অভিজিৎ-এস্থার!
দম্পতি...

২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর যখন দু'জনে মিলে 'বাঙালি' বেশে নোবেল প্রাইজের সম্মান নিতে স্টেজে উঠবেন, তার ঠিক আগেই একটি ছবি তুলেছিলেন অভিজিৎ ও এস্থার। সেই ছবিই ভি-ডেতে পোস্ট করেছে নোবেল কমিটি।

  • Share this:

    #স্টকহোম: ভ্যালেন্টাইন'স ডে-র বিশেষ পোস্টে নোবেলজয়ী দম্পতি অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী এস্থার ডুফলোর ছবি শেয়ার করল নোবেল কমিটি। শুধু অর্থনীতি নয়, সম্পর্কের রসায়নেও যে তাঁরা নজির সে কথাও যেন নোবেল কমিটির পোস্টে পরোক্ষে ফুটে উঠেছে। ২০১৯ সালের ১০ ডিসেম্বর যখন দু'জনে মিলে 'বাঙালি' বেশে নোবেল প্রাইজের সম্মান নিতে স্টেজে উঠবেন, তার ঠিক আগেই একটি ছবি তুলেছিলেন অভিজিৎ ও এস্থার। সেই ছবিই ভি-ডেতে পোস্ট করেছে নোবেল কমিটি। প্রেমদিবসে এই বিশ্ববিখ্যাত জুটির ছবি পোস্ট করে তাঁদের প্রেম-ভালোবাসায় মোড়া সম্পর্ককেও সম্মান জানানো হয়েছে।

    অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে (Economic Sciences) ২০১৯ সালের নোবেল সম্মান অর্জন করেছেন ভারতীয়-আমেরিকান অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী এস্থার ডুফলো ও মাইকেল ক্রেমারের জুটি। একসঙ্গে বাঙালি বেশে সুইডেনে নোবেল সম্মান গ্রহণ করেছেন তাঁরা। অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এস্থার ডুফলো স্টকহোমের কনসার্ট হলে এই বিশেষ পুরষ্কারের মঞ্চে উঠেছিলেন খাঁটি ভারতীয় পোশাকে।

    ৫৮ বছর বয়সী নোবেলজয়ী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় ক্রিম রঙের পাঞ্জাবী এবং সোনালি পাড়ের সাদা কেরলের বিশেষ ধুতি বা মুন্ডু এবং গলাবন্ধ কালো জ্যাকেটে সেজেছিলেন। অন্যদিকে ফরাসি-আমেরিকান এস্থার ডুফলো এই বিশেষ দিনে নীলাম্বরী। নীল শাড়ি, লাল ব্লাউজ এবং লাল টিপে একেবারে ভিন্ন রূপে নোবেল সম্মান নিতে মঞ্চে ওঠে স্বামী-স্ত্রীর জুটি। প্রথাগত সংস্কৃতির পোশাকেই দেখা গিয়েছিল অপর নোবেলজয়ী মাইকেল ক্রেমারকে।

    ব্যক্তিগত জীবনে এমআইটি-রই প্রফেসর অরুন্ধতী তুলি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রথমে বিয়ে করেছিলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৯১ সালে কবির নামে তাঁদের এক সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু ২০১৬ সালে মার্চে কবিরের মৃত্যু হয়। তার পরেই স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন আলগা হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত বিবাহ-বিচ্ছেদ। এর পর দীর্ঘদিনের গবেষণার সঙ্গী এস্থার ডুফলোকেই জীবনসঙ্গী করেন অভিজিৎ। তাঁদেরও এক সন্তান রয়েছে।

    Published by:Raima Chakraborty
    First published: