'বর্ণবিদ্বেষ' নিয়ে চুপ থাকবে না দেশ, 'রশ্মি সামন্ত' ইস্যুতে ব্রিটেনকে কড়া বার্তা ভারতের

'বর্ণবিদ্বেষ' নিয়ে চুপ থাকবে না দেশ, 'রশ্মি সামন্ত' ইস্যুতে ব্রিটেনকে কড়া বার্তা ভারতের

FILE PHOTO

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট হয়ে ইতিহাস গড়েছেন ভারতীয় ছাত্রী রশ্মি সামন্ত। কিন্তু অভিযোগ, বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্ত্যব্যের জেরে ওই পদ ছাড়তে বাধ্য হন বাইশ বছরের এই তরুণী।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি : ক’দিন আগে ভারতে কৃষি আইন এবং কৃষক আন্দোলন নিয়ে খুব হইচই করেছিলেন ব্রিটিশ সাংসদরা। ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ। অতএব ভারতের তরফে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল সেসময়। এবার তারই পাল্টা দিলো ভারত। ব্রিটেনে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট হয়ে ইতিহাস গড়েছেন ভারতীয় ছাত্রী রশ্মি সামন্ত। কিন্তু অভিযোগ, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য মাধ্যমে বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্ত্যব্যের জেরে ওই পদ ছাড়তে বাধ্য হন বাইশ বছরের এই ছাত্রী।

    বিষয়টি সোমবার সংসদে তোলেন বিজেপি সংসদ অশ্বিনী বৈষ্ণো এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। একই সঙ্গে ব্রিটিশ রাজ পরিবারে বর্ণ বিদ্বেষ নিয়েও কথা বলেন তাঁরা। ক’দিন আগে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের বর্ণ বিদ্বেষ নিয়ে মুখ খোলেন রাজ পরিবারের পুত্রবধূ মেগান মার্কেল। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনেই অশ্বিনী বলেন, যদি রাজ পরিবারেই বর্ণ বিদ্বেষ থাকে, তা হলে অন্য স্তরে কী অবস্থা হবে বোঝাই যাচ্ছে। কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ব্রিটিশ এমপি-রা যেভাবে ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে কথা বলেছেন, এটা তারই জবাব।

    জয়শঙ্কর বলেন, “গান্ধীজির দেশের প্রতিনিধি হয়ে বর্ণ বিদ্বেষ মেনে নেব না কিছুতেই। ব্রিটেনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভাল। অবশ্যই এই বিষয়ে আমাদের বক্তব্য জানাব।” রশ্মি সামন্তের ব্যাপারে নিজেদের উদ্বেগের বার্তা ইতিমধ্যেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ব্রিটিশ হাই কমিশনে।

    প্রসঙ্গত, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়া ভারতীয় ছাত্রী, রশ্মি সামন্ত। এই প্রথম কোনও ভারতীয় ছাত্রী এই পদে নির্বাচিত হন। কর্নাটকের মণিপাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যাল এঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক রশ্মি বর্তমানে লিনারক কলেজ থেকে এনার্জি সিস্টেম নিয়ে স্নাতকোত্তর করছেন। তাঁর ইস্তাহারে ভারতীয় সত্তার ছাপ স্পষ্ট। কিন্তু 'অনিচ্ছাকৃত' কারণ দেখিয়ে পরে পদ থেকে ইস্তফা দেন রশ্মি। জানা যায় তাঁর বিরুদ্ধে শুধু নয়, তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধেও বর্ণবৈষম্যমূলক আচরণ করা হয়েছে।

    Published by:Sanjukta Sarkar
    First published:

    লেটেস্ট খবর