ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক! নতুন রিপোর্টে উদ্বিগ্ন পাকিস্তান

ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক! নতুন রিপোর্টে উদ্বিগ্ন পাকিস্তান

সংগৃহীত ছবি

আবার হতে পারে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক! এমন সম্ভাবনা প্রবল বলে আলোচনা শুরু হয়েছে পাকিস্তানে। পাক সামরিক বাহিনী বা সরকারের তরফে কোন বিবৃতি দেওয়া না হলেও জিও টিভি সহ বেশকিছু পাকিস্তানি মিডিয়া এমন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে।

  • Share this:

    #রাওয়ালপিন্ডি: আবার হতে পারে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক! এমন সম্ভাবনা প্রবল বলে আলোচনা শুরু হয়েছে পাকিস্তানে। পাক সামরিক বাহিনী বা সরকারের তরফে কোনও বিবৃতি প্রকাশ না করা হলেও জিও টিভি-সহ বেশকিছু পাকিস্তানি সংবাদ মাধ্যম এমন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে ঘরে-বাইরে মিলিয়ে ভারতের অবস্থা খুব কঠিন। সরকার প্রবল চাপে। তাই কিছু একটা করে আবার দেশবাসীর কাছে হিরো সাজার চেষ্টা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে পাকিস্তান হতে পারে সফট টার্গেট।

    কৃষক আন্দোলন থেকে নজর ঘোরাতে এমন পদক্ষেপ নিতে চলেছে দিল্লি। সেনার তরফে গোপন সূত্রে ওই রিপোর্ট প্রাপ্তির কথা জানিয়েছে পাক সংবাদমাধ্যম। পাকিস্তান আর্মির পূর্ব কমান্ডকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর, পাঞ্জাব, রাজস্থান এবং গুজরাটের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে দু-দেশের সীমানা রয়েছে। ভারত হামলা করার জন্য কোন জায়গা বেছে নেবে সেটাও নাকি জানা রয়েছে পাক সেনার। তারা নিজেদের সবদিক থেকেই প্রস্তুতি রেখেছে।

    পাকিস্তানের নামজাদা সাংবাদিক সালমান মাসুদ নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি দিয়েছেন। উরি হামলার বদলা নিতে ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর কথা ঘোষণা করে নরেন্দ্র মোদির সরকার। পাক নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের কয়েকটি জঙ্গি ঘাঁটি উড়িয়ে দেয় ভারতীয় কমান্ডো বাহিনীর জওয়ানরা। পাকিস্তান অবশ্য এই হামলার কথা স্বীকার করে না।

    এরপর পুলওয়ামার বদলা নিতে বালাকোট স্ট্রাইক সকলের মনে আজও টাটকা। পাক ভূখণ্ডে ঢুকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর হামলা, পরে বদলার জন্য পাক বিমান বাহিনী ভারতে হামলা চালাতে গেলে তাদের এফ-সিক্সটিন নিজের মিগ ২১ বাইসন থেকে মিসাইল মেরে ধ্বংস করেন অভিনন্দন, কিন্তু আটকা পড়ে যান পাক বাহিনীর হাতে। দু'দিনের মধ্যেই অবশ্য তাঁকে ফিরিয়ে দেয় পাকিস্তান। কিন্তু পাকিস্তানের এই মুহূর্তে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে কিনা সে ব্যাপারে মুখ খোলেনি নয়াদিল্লি।

    Rohan Roy Chowdhury

    Published by:Shubhagata Dey
    First published:

    লেটেস্ট খবর