বিদেশ

corona virus btn
corona virus btn
Loading

ড্রাগনের হুঙ্কার, তিব্বতকে কড়া বার্তা দিতে রাজধানী লাসা-র উপর মহড়া চিনা হেলিকপ্টারের

ড্রাগনের হুঙ্কার, তিব্বতকে কড়া বার্তা দিতে রাজধানী লাসা-র উপর মহড়া চিনা হেলিকপ্টারের
photo/swarajya

তিব্বতের রাজধানী লাসায় প্রায় এক ডজন সামরিক যুদ্ধ বিমান এবং হেলিকপ্টার নিয়ে মহড়া চালাল চিন। প্রায় মিনিট চল্লিশ ধরে চলে এই মহড়া।

  • Share this:

#লাসা: তিব্বতের রাজধানী লাসায় প্রায় এক ডজন সামরিক যুদ্ধ বিমান এবং হেলিকপ্টার নিয়ে মহড়া চালাল চিন। প্রায় মিনিট চল্লিশ ধরে চলে এই মহড়া। হারবিন অ্যাটাক হেলিকপ্টার ছাড়াও আধুনিক জেড টেন হেলিকপ্টার অংশ নিয়েছিল এই মহড়ায়। উদ্দেশ্য ছিল তিব্বতের মানুষকে বার্তা দেওয়া। যেন কোনভাবেই আমেরিকার সমর্থন পেয়ে বাড়াবাড়ি না করেন তারা। ছবিতে দেখা যায়, চিনা সেনাবাহিনী যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে, যেখানে লাসার ওপর দিয়ে কয়েক ডজন চিনা সামরিক হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধবিমান বিমান উড়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞের মতে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যেভাবে চিনের বিরুদ্ধে সোচ্চার, তাতে বেজিং বিরক্ত। দেশটির তিব্বতকে হারানোর ভয় কাজ করে, তাই তারা ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিব্বতকে শক্তহাতে শাসন করেছে।

কয়েকদিন আগেই চিনকে চাপে রাখতে তিব্বত নীতি ও সহায়তা আইন পাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই আইনে সই করে চিনের রক্তচাপ আগেই বাড়িয়ে রেখেছেন। নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দায়িত্ব নেওয়ার পর চিন প্রসঙ্গে মার্কিন নীতি নরম হবে এমন সম্ভাবনা কম। জল মাপতে ট্রাম্পের সমালোচনা এবং নতুন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়ানোর বার্তা দিয়েছিল চিন। কিন্তু আমেরিকার তরফে সেভাবে এই চিনা প্রস্তাবের প্রশংসা বা নিন্দা কোনওটাই করা হয়নি। তাই চিন ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না বাইডেন এলে আমেরিকার চিন নীতি কেমন হবে। ট্রাম্প সরাসরি মুখে যেটা বলতেন, বাইডেন না বললেও অধিকাংশ আমেরিকান বিশ্বাস করেন এই ভাইরাসের পেছনে চিনের হাত রয়েছে।

একদিকে করোনা ভাইরাসের জন্য বিশ্বের চোখে ভিলেন, তার ওপর ভারতের সঙ্গে লাদাখে প্রায় আট মাস ধরে চলা স্ট্যান্ড অফ, সঙ্গে তাইওয়ান, জাপান, মালয়েশিয়ার চিনের গা জোয়ারি নীতির বিরুদ্ধে এক হয়ে আসরে নামা। সব মিলিয়ে চাপে রয়েছে চিন। আমেরিকান নতুন আইনে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে. তিব্বতের মানুষ নিজেদের ধর্মগুরু অর্থাৎ পরবর্তী দালাই লামা কে হবেন তা নিজেরাই বেছে নিতে পারবেন। চিনের সম্মতির প্রয়োজন নেই। চিন যদি এ ব্যাপারে জোর খাটায় তবে তা বেআইনি হিসেবে গণ্য করা হবে এবং যথাযথ জবাব দেওয়া হবে।

কিন্তু চিন বারবার বলে আসছে তিব্বত চিনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, সুতরাং সেখানে চিনা আইন-কানুন ছাড়া অন্য কিছু চলার সম্ভাবনা নেই। যদিও ভারতে বর্তমান দালাই লামা ছাড়াও কয়েক লক্ষ তিব্বতি রয়েছেন। আমেরিকা এবং ইউরোপেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এই সম্প্রদায়ের মানুষ। তাই নিজেদের দুর্বল জায়গায় আঘাত লাগার ভয়ে লাল চিন যে বেশ চাপে রয়েছে তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার।

Published by: Rohan Chowdhury
First published: January 11, 2021, 12:14 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर