corona virus btn
corona virus btn
Loading

হংকং-এর ৩০ লক্ষ বাসিন্দাকে নাগরিকত্ব, চিনকে চাপে ফেলে ঘোষণা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর

হংকং-এর ৩০ লক্ষ বাসিন্দাকে নাগরিকত্ব, চিনকে চাপে ফেলে ঘোষণা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন৷

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, হংকংয়ের স্থানীয় প্রশাসন মঙ্গলবার যে নতুন আইন পাশ করার কথা জানিয়েছে, তা ১৯৮৫ সালে ব্রিটেন এবং চিনের মধ্যে হওয়া যৌথ ঘোষণার পরিপন্থী৷

  • Share this:

#লন্ডন: হংকংয়ের তিরিশ লক্ষ বাসিন্দাকে ব্রিটেনে গিয়ে বসবাস করা এবং ভবিষ্যতে নাগরিকত্ব নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে৷ চিনকে প্রবল চাপে ফেলে এমনই ঘোষণা করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন৷

চিনের পাশ করা নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইনের প্রতিবাদে প্রবল বিক্ষোভ উত্তাল হয়ে উঠেছে হংকং৷ ব্রিটেনও মনে করছে, নয়া এই আইনে হংকং-এর স্বশাসনে হস্তক্ষেপ করা হবে৷ ফলে পূর্বতন এই ব্রিটিশ উপনিবেশ ছেড়ে সেখানকার বাসিন্দাদের ব্রিটেনে গিয়ে আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ করে দিতেই এই প্রস্তাব দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী৷

তিনি জানিয়েছেন, সাড়ে তিন লক্ষ ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী এবং আরও ২৬ লক্ষ যোগ্য আবেদনকারীকে আগামী পাঁচ বছর ব্রিটেনে গিয়ে বসবাসের সুযোগ দেওয়া হবে৷ তার এক বছর পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ব্রিটেনের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন জানাতে পারবেন৷

হংকং-এর যে বাসিন্দাদের কাছে ব্রিটিশ ন্যাশনাল ওভারসিজ পাসপোর্ট রয়েছে, ১৯৮০-এর দশকে তাঁদের বিশেষ কিছু সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল৷ যদিও বর্তমানে তা কাটছাঁট করা হয়েছে৷ তবে এই পাসপোর্ট যাঁদের রয়েছে, তাঁরা এখনও ভিসা ছাড়াই ৬ মাসের জন্য ব্রিটেনে কাটাতে পারেন৷

বরিস জনসন জানিয়েছেন, নতুন নিয়মে অনাবাসী ব্রিটিশ নাগরিক এবং তাঁদের উপরে নির্ভরশীলরা পাঁচ বছরের জন্য ব্রিটেনে গিয়ে বসবাসের পাশাপাশি কর্মসংস্থান এবং পড়াশোনার সুযোগ পাবেন৷ পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর তাঁরা স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারবেন৷ তার একবছর পরই নাগরিকত্বের আবেদন করা যাবে৷

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, হংকংয়ের স্থানীয় প্রশাসন মঙ্গলবার যে নতুন আইন পাশ করার কথা জানিয়েছে, তা ১৯৮৫ সালে ব্রিটেন এবং চিনের মধ্যে হওয়া যৌথ ঘোষণার পরিপন্থী৷ নতুন এই আইন স্পষ্টতই দুই দেশের আইনি চুক্তির খেলাপ করেছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বরিস জনসন৷ সেই চুক্তি অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালে হংকং-এর হস্তান্তর হওয়ার পর ৫০ বছর পর্যন্ত নির্দিষ্ট কয়েকটি ক্ষেত্রে হংকং এবং সেখানকার বাসিন্দাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করতে পারবে না চিন৷ বরিস জনসন বলেন, 'যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে হংকং-কে দেওয়া স্বায়ত্তশাসন এবং স্বাধীনতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে এই নতুন আইন৷'

Published by: Debamoy Ghosh
First published: July 2, 2020, 12:26 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर