• Home
  • »
  • News
  • »
  • international
  • »
  • বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন ক্রমশ প্রকট হচ্ছে, বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা

বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন ক্রমশ প্রকট হচ্ছে, বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা

Picture courtesy: AP

Picture courtesy: AP

ছাত্র মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দিন কয়েক আগে যে অচল অবস্থা তৈরি হয়েছিল, রবিবার তা কার্যত মারাত্মক আকার ধারণ করে। বেপরোয়া যান চলাচলে নিয়ন্ত্রন নেই সরকারের ।

  • Share this:

    #ঢাকা:  ছাত্র মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দিন কয়েক আগে যে অচল অবস্থা তৈরি হয়েছিল, রবিবার তা কার্যত মারাত্মক আকার ধারণ করে। বেপরোয়া যান চলাচলে নিয়ন্ত্রন নেই সরকারের । আর সেই কারণেই পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় দুই ছাত্রের । তারপর থেকেই ঢাকার খিলাফত এর পরিস্থিতি খারাপ হতে শুরু করে । ভাঙচুর চলে একাধিক গাড়ি । রাস্তায় বসে দোষীদের অবিলম্বে শাস্তির দাবিতে সরব হয় ছাত্ররা। পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে , তড়িঘড়ি বিবৃতি দেন বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী । সরকার ছাত্রদের পাশে আছে বলেও গতকাল জানান তিনি। তবে মন্ত্রীর কথায় চিড়ে ভেজেনি। নিজেদের দাবিতেই এখনও অবরুব্ধ জনজীবন। ঢাকা চত্বরের প্রায় শতাধিক স্কুল-কলেজ বন্ধ । খোলেনি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ও ।

    ছাত্র আন্দোলনের পর এক সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে ৷ কিন্তু একচুলও নিজেদের দাবি থেকে সরেননি ছাত্ররা ৷ ছাত্রদের আন্দোলনে লাগাম টানতে মোবাইল ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ৷ রবিবার স্থানীয় সময় দুপুর একটায় স্কুল কলেজের প্রায় কয়েক হাজার পড়ুয়া পথে নামে ৷ তারাই রাজধানীর ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে শুরু করেন ৷ আন্দোলন নিয়ন্ত্রনে আনতে টিয়ার গ্যাস ছোঁড়ে পুলিশ ৷

    Bangladesh ss

    পুলিশের এহেন আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন ছাত্ররা ৷ আন্দোলনরত এক ছাত্র জানায়, ‘শান্তিপূর্ণভাবেই আমরা আন্দোলন করছিলাম ৷ কিন্তু আচমকাই টিয়ায় গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ ৷ এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন পড়ুয়া আহতও হয়েছে ৷’

    শুধু ছাত্ররাই নয় ৷ সাংবাদিকদের উপরও আক্রমণ চালানো হয়েছে  বলে অভিযোগ ৷ বাসচাপায় ছাত্র নিহতের সঠিক বিচারের দাবিতে এবং সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের পদত্যাগের দাবিতে মুখর রাজপথ

    মোবাইলের ৩জি এবং ৪জি পরিষেবাও ২৪ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ৷

    BangladeshisBleeding এবং bangladeshstudentprotests-এও বিক্ষোভ উপচে পড়ছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে ৷

    দেখুন ছবি:
    First published: