corona virus btn
corona virus btn
Loading

ভুটানের অংশও নিজেদের বলে দাবি! ভারতের উপর চাপ বাড়াতে নয়া চাল চিনের

ভুটানের অংশও নিজেদের বলে দাবি! ভারতের উপর চাপ বাড়াতে নয়া চাল চিনের
Representational Image

২০১৭ সালে ভুটানের অন্তর্গত ডোকলামে ঢুকে পড়েছিল চিনা সেনা৷ সেখানে রাস্তা নির্মাণের তোড়জোড় শুরু করে তারা৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: ভারতের উপর চাপ বাড়াতে এ বার ভুটানের ভূখণ্ডও নিজেদের বলে দাবি করল চিন৷ বলা ভাল, দিল্লির বন্ধু বলে পরিচিত থিম্পুকেও নেপালের মতো নিজেদের দলে টানতে চিন এই চাল দিয়েছে বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল৷ ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়ে বেজিং জানিয়েছে, ভুটানের পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম অংশে দীর্ঘদিন ধরেই তাদের সঙ্গে বিবাদ রয়েছে৷ শুধু তাই নয়, ভারতের নাম না নিয়েই দিল্লিকে নিশানা করে চিন রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে জানিয়েছে, তাদের সঙ্গে ভুটানের বিবাদে যেন কোনও তৃতীয়পক্ষ হস্তক্ষেপের চেষ্টা না করে৷

সাকতেং অভয়ারণ্যের জন্য অনুদান পেতে Global Environment Facility-তে আবেদন জানিয়েছিল ভুটান৷ কিন্তু ভুটানের এই আবেদন নিয়ে আপত্তি জানায় চিন৷ তাদের দাবি, ওই এলাকা নিয়ে বিবাদ রয়েছে৷ ফলে তা নিজেদের বলে দাবি করতে পারে না ভুটান৷ চিনের আপত্তি সত্ত্বেও ভুটান ওই অনুদান পেয়েছে৷ পাশাপাশি, নয়াদিল্লিতে অবস্থিত চিনা দূতাবাসকে ভুটানের তরফে কড়া বার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে সাকতেং অভয়ারণ্যের গোটাটাই তাদের ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ৷

সাকতেং অভয়ারণ্য ভুটানের ত্রাসিগাং প্রদেশে অবস্থিত৷ চিনের এই কৌশল আসলে দিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার জন্য ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলির উপরে বেজিংয়ের রাগের বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে করা হচ্ছে৷

২০১৭ সালে ভুটানের অন্তর্গত ডোকলামে ঢুকে পড়েছিল চিনা সেনা৷ সেখানে রাস্তা নির্মাণের তোড়জোড় শুরু করে তারা৷ পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে ভারতীয় সেনাও৷ ৭২ দিন ধরে দু' তরফে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর শেষ পর্যন্ত স্থিতাবস্থা ফেরানো সম্ভব হয়৷ এ বারেও বেশ কিছুদিন ধরেই শিলিগুড়ি করিডরের উপর নজর রাখার জন্য ভুটানে তোর্সা নদীর সমান্তরাল একটি রাস্তা তৈরির কাজ চিন শুরু করেছে বলে খবর৷

আসলে প্রতিবেশী ছোট ছোট দেশগুলির সঙ্গে সীমান্ত বিবাদ নিয়ে করা সমস্ত চুক্তিই নিজেদের শর্ত অনুযায়ী করেছে চিন৷ ভুটানি সংবাদপত্র 'দ্য ভুটানিজ'-এর সম্পাদক তেনজিং লামসাং ট্যুইটারে দাবি করেছেন, পূর্ব ভুটানে চিনের সঙ্গে তাঁদের কোনও বিবাদই নেই৷ তিনি লিখেছেন, '১৯৮৪ সাল থেকে চিনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে ২৪টি বৈঠকে শুধুমাত্র দু’টো এলাকা নিয়েই বিবাদের নিষ্পত্তি হয়নি৷ তার মধ্যে ভুটানের পশ্চিম অংশে ২৬৯ বর্গ কিলোমিটার এবং উত্তরমধ্য ভুটানের ৪৯৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা রয়েছে৷ প্রতিটি বৈঠকের সিদ্ধান্তেই দু'পক্ষ সই করেছে৷ কোনও বৈঠকেই ভুটানের পূর্ব অংশ নিয়ে কোনও দাবি তোলেনি চিন৷ ফলে পূর্ব ভুটানে চিনের সঙ্গে কোনও সীমান্ত বিবাদ থাকতে পারে না বলেই দাবি করেছেন ভুটানের ওই সংবাদপত্রের সম্পাদক৷

কয়েকদিন আগেই লাদাখে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাম না করেই চিনকে বিস্তারবাদী বলে কটাক্ষ করেছিলেন৷ তার জবাবে চিনা দূতাবাস দাবি করে, বেজিংকে বিস্তারবাদী বলে অভিযুক্ত করা ঠিক নয়৷ কারণ ১৪টির মধ্যে ১২টি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গেই শান্তিপূর্ণ ভাবে সীমান্ত বিবাদ মিটিয়ে ফেলেছে চিন৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: July 6, 2020, 1:24 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर