World Music Day: নিয়মিত গান শোনার উপকার জানেন? ঝটপট পড়ে ফেলুন

World Music Day: নিয়মিত গান শোনার উপকার জানেন? ঝটপট পড়ে ফেলুন
  • Share this:

#কলকাতা: গান ভালোবাসেন না, এরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন ৷ তাই তো গানের ছন্দেই বলতে হয় গান ভালোবেসে গান ! ভাবছেন হঠাৎ এতো গান নিয়ে আলোচনা কেন? কারণ হল ২১ জুন ৷

আপনি কি লেখালেখি, ছবি আঁকা বা ঐ জাতীয় কোনও ক্রিয়েটিভ কাজের সঙ্গে যুক্ত? তাহলে তো রোজ কম করে এক ঘন্টা গান শুনতেই হবে। চিকিৎসকরা বলছেন, গান শুনলে মস্তিষ্কের বিশেষ একটি অংশ এতটাই অ্যাকটিভ হয়ে যায় যে ক্রিয়েটিভিটি বা অন্যরকম ভাবে ভাবার ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।

গান শুনলে মস্তিষ্কের অন্দরে ডোপামাইন নামে একটি ‘ফিল গুড’ হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়, ফলে স্বাভাবিকভাবেই মন অনন্দে ভরে যায়। তাই এবার থেকে যখনই মনে হবে মানসিক চাপ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখনই ১৫ মিনিট সময় বার করে পছন্দের কোনও গান শুনে নেবেন। দেখবেন নিমেষে মানসিক চাপের কালো মেঘ কেটে যাবে।

বেশ কিছু গবেষণাতে এও দেখা গেছে যে গান শোনার অভ্যাস থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়তে শুরু করে। ফলে নানাবিধ সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

গান হল সেই ওষুধ, যা কানের মধ্যে দিয়ে শরীরের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র ঘুম এসে যায়। তাই তো রাতের বেলা ঘুম আসতে না চাইলে ৩০-৪৫ মিনিট হালকা বিটের যে কোনও গান একটু শুনে নেবেন। দেখবেন অনিদ্রা লেজ তুলে পালাবে।

পরিসংখ্যান বলছে সারা বিশ্বে প্রায় ৩৫কোটি মানুষ মানসিক অবসাদে ভুগছেন, যাদের মধ্যে অনেকের বাস আমাদের দেশে। এমন পরিস্থিতিতে গানের বিকল্প আর কিছুই হতে পারে না। কারণ একথা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়েছে যে ডিপ্রেশনের প্রকোপ কমানোর পাশাপাশি এই সম্পর্কিত নানাবিধ লক্ষণ কমাতেও গান বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

গান শোনার সময় কোনও কারণে মাত্রাতিরিক্ত খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। ফলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। তাই এবার থেকে যখনই মনে হবে মধ্যপ্রদেশটা একটু বেড়েছে, তখনই হাল্কা আলোতে গান শুনতে শুনতে খাবার খাওয়া শুরু করবেন, দেখবেন উপকার মিলবে।

First published: June 20, 2019, 10:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर