নেতাজির জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের পরে ভিক্টোরিয়ায় পড়ে আবর্জনা, খাবারের প্যাকেট! কটাক্ষ মিমির

নেতাজির জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানের পরে ভিক্টোরিয়ায় পড়ে আবর্জনা, খাবারের প্যাকেট! কটাক্ষ মিমির
অনুষ্ঠানের পরে ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে নোংরা, খাবারের প্যাকেট, আবর্জনা ফেলে পরিবেশকে দূষিত করা হচ্ছে বলে এদিন দাবি করেন মিমি। তাঁর মতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে, শেষ হলে তা পরিষ্কারও করা উচিত।

অনুষ্ঠানের পরে ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে নোংরা, খাবারের প্যাকেট, আবর্জনা ফেলে পরিবেশকে দূষিত করা হচ্ছে বলে এদিন দাবি করেন মিমি। তাঁর মতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে, শেষ হলে তা পরিষ্কারও করা উচিত।

  • Share this:

    #কলকাতা: ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে নেতাজির জন্মজয়ন্তী ঘিরে ফের বিতর্ক। একদিকে এদিন মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়ার ঘটনার সমালোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে। এর পাশাপাশি আরও একটি বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

    অনুষ্ঠানের পরে ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে নোংরা, খাবারের প্যাকেট, আবর্জনা ফেলে পরিবেশকে দূষিত করা হচ্ছে বলে এদিন দাবি করেন মিমি। তাঁর মতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে, শেষ হলে তা পরিষ্কারও করা উচিত।

    অভিনেত্রী টুইট করেন, একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করলে, পরে এমন একটি জাতীয় হেরিটেজকে পরিষ্কার করে দেওয়ার উদ্যোগটাও নিন। একেই দায়িত্ববোধ বলে। আমি জানতাম ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের ভিতরে খাবার খাওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু আপনারাই কেবল নিয়ম ভাঙতে পারেন।


    প্রসঙ্গত, ভিক্টোরিয়ায় নেতাজির জন্ম জয়ন্তী অনুষ্ঠানের শুরুতেই তাল কাটে। মঞ্চে বক্তা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি ওঠে দর্শকমহল থেকে। বক্তব্য রাখার আগেই জয় শ্রীরাম ধ্বনি শুনে অপমানিত বোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতিবাদ স্বরূপ জানিয়ে দেন তিনি কোনও বক্তব্য রাখবেন না আর এক তারকা সাংসদ নুসরত জাহান এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন।

    মমতা বলেন, "আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই কলকাতায় অনুষ্ঠান পালনের আয়োজন করার জন্য। কিন্তু কাউকে আমন্ত্রণ জানিয়ে অপমানিত করা উচিত নয়। আমি এই ঘটনার প্রতিবাদে এই অনুষ্ঠানে কোনও বক্তব্য রাখতে চাই না।"

    এই ঘটনার নিন্দা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। এমনকি এই ঘটনা নিন্দিত হয়েছে বাম ও কংগ্রেস শিবিরেও।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: