Birsa on Raj Chakraborty: ৪ জন কাছের আত্মীয়কে হারিয়েছেন বিরসা, দুঃসময়ে পাশে পেয়েছেন রাজকে

সম্প্রতি পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তের (Birsa Dasgupta) ঘনিষ্ঠ ৪ আত্মীয়ের মৃত্যু হয়েছে।অবস্থা এমন হয়েছে যে চার আত্মীয়ের জন্য শুধু শেষকৃত্যের ব্যবস্থাটুকুই করতে পেরেছেন।

সম্প্রতি পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তের (Birsa Dasgupta) ঘনিষ্ঠ ৪ আত্মীয়ের মৃত্যু হয়েছে।অবস্থা এমন হয়েছে যে চার আত্মীয়ের জন্য শুধু শেষকৃত্যের ব্যবস্থাটুকুই করতে পেরেছেন।

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনা (corona) ভয়াবহ আকার নিয়েছে গোটা দেশে। প্রতিদিনই মানুষকে ভারাক্রান্ত করছে মৃত্যুর খবর। সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই মৃত্যু সংবাদ উঠে আসছে। বহু মানুষ তাঁদের প্রিয়জন, আত্মীয় পরিজনদের হারিয়েছেন মহামারীতে। সম্প্রতি পরিচালক বিরসা দাশগুপ্তেরও (Birsa Dasgupta) ঘনিষ্ঠ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। টুইট করে শোকপ্রকাশ করেছেন পরিচালক। পাশাপাশি জানিয়েছেন, অবস্থা এমন হয়েছে যে চার আত্মীয়ের জন্য শুধু শেষকৃত্যের ব্যবস্থাটুকুই করতে পেরেছেন।

    বিরসা জানিয়েছেন, তাঁকে এই বিষয়ে অনবরত সাহায্য করেছেন পরিচালক তথা নব নির্বাচিত ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty)। তার জন্য রাজকে টুইটারেই ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিরসা। তিনি লিখেছেন, "গত সপ্তাহে ৪ জন খুব ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কে হারালাম। শুধু তাঁদের শেষকৃত্য়ের ব্যবস্থাটুকুই করতে পারলাম। আমাদের অবস্থা এখন এখানেই পৌঁছে গিয়েছে। জীবন এখন এমন।"

    রাজ সম্পর্কে বিরসা লিখছেন, "অনবরত সাহায্য করার জন্য রাজকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই। অনলাইনে হইচই না করে কয়েকজন অফলাইনে কাজ করে চলেছেন। সব হিরোদের কেপ পরতে হয় না।" এই টুইট রাজও শেয়ার করেছেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, "উইশিং ইউ স্ট্রেনথ।"

    এই করোনাকালে বহু তারকাই মানুষের সাহায্যে হাত বাড়িয়েছেন। নির্বাচনের আগেই রাজ বলেছিলেন তিনি মানুষের জন্য কাজ করতে চান। সেই কথা মতোই কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। রাস্তায় নেমে নিজে হাতে তিনি মাস্ক ও খাবারও বিতরণ করেছেন দুঃস্থ মানুষদের। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ ট্রোলিং এর শিকারও হয়েছেন বিগত দিনে। তবে সেসব দিকে না তাকিয়ে আপাতত মানুষের জন্য কাজ করবেন বলেই ঠিক করেছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, করোনাকালে মানুষের কাজ শুরু করেছেন আরও এক তারকা বিধায়ক জুন মালিয়াও। এখন রাজ্যের সব জায়গায় কার্যত লকডাউন চলছে। সকালে বাজার খুলছে মাত্র তিন ঘণ্টার জন্য। অন্য সবকিছুর মতোই বন্ধ খাবারের দোকানও। ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীর আত্মীয়দের। তাঁদের খাবারের ব্যবস্থা করেছেন জুন।

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: