Sonu Nigam: কোভিড আক্রান্তদের মনের জোর বাড়াতে 'কাল হো না হো' গাইলেন সোনু নিগম !

Sonu Nigam

শাহরুখ খান- প্রীতি জিন্টা অভিনীত ছবি 'কাল হো না হো'-এর গান গাইলেন তিনি। ছবিতে এই গানটি সোনুই গেয়েছিলেন।

  • Share this:

    #মুম্বই: সারা দেশ করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে ভুগছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। হাসপাতালে বেড নেই। অক্সিজেনের অভাব রয়েছে। এই অবস্থায় মানুষের সাহায্যে বলিউডের অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। করোনা তহবিলে অক্ষয় কুমার, অমিতাভ বচ্চনের মতো অভিনেতারা আর্থিক সাহায্য করেছেন। তবে নিজেদের চেষ্টায় বেড থেকে অক্সিজেনের ব্যবস্থা করছেন সোনু সুদের মতো অভিনেতা। এবার এগিয়ে এলেন গায়ক সোনু নিগম। কয়েকদিন ধরেই তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে কোভিড আক্রান্ত মানুষদের জন্য এবং দেশের সকলের সতর্কতা বাড়াতে নানা পোস্ট করছিলেন।

    এবার তিনি একেবারে মাঠে নামলেন। অক্সিজেন থেকে বেড তৈরি করতে সাহায্যের হাত বাড়ালেন। নিজে কোভিড সেন্টারে গিয়ে রক্তদান করলেন। নিজে গিয়ে খতিয়ে দেখলেন কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের বেডের ব্যবস্থা। অক্সিজেন আনার ব্যবস্থা করলেন। মুম্বাইতে মানুষের পাশে থাকতে এগিয়ে এলেন তিনি।

    শুধু তাই নয় কোভিডের সময় মানুষের মনের জোর বাড়াতে কোয়াররেন্টাইন সেন্টারে দাঁড়িয়ে গান গাইলেন। শাহরুখ খান- প্রীতি জিন্টা অভিনীত ছবি 'কাল হো না হো'-এর গান গাইলেন তিনি। ছবিতে এই গানটি সোনুই গেয়েছিলেন। সেই গান গেয়ে মানুষের মনের জোর বাড়ানোর চেষ্টা করলেন তিনি। তিনি ইনস্টাগ্রামে এই ভিডিও শেয়ার করে লিখলেন, এই গান আমার কাছে প্রার্থণা, এবং মনের জোর বাড়াতে খুব কার্যকরী। আশা করবো এই গান সকলকে মনে পজিটিভিটি নিয়ে লড়াই করতে সাহায্য করবে। সকলের মনে বিশ্বাস ও পজিটিভিটি ছড়াতে হবে। এই কোভিড লড়াইয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে হবে। তবে সক কিছু সতর্কতা মেনে করুন। আমিও মাস্ক পরেই গান গাইছি।" এই ভিডিওতে বহু মানুষ তাঁর কাজের প্রশংসা করেছেন। সোনু নিগম সব সময় নানা বিষয় নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার হয়েছেন। এবার কোভিড লড়াইতেও মানুষের পাশে থাকলেন তিনি।

    প্রসঙ্গত বলিউডের বহু সেলেবরাই এই কঠিন সময়ে চুপ করে বসে নেই। মানুষের জন্য সকলেই এগিয়ে আসছেন। তবে সকলের মধ্যে এবারও সোনু সুদ নিজের সবটা দিয়ে অক্সিজেন জোগাড় করছেন। বেড জোগাড় করছেন। সেই যুদ্ধেই সামিল হলেন সোনু নিগম , নিজের মতো করে।

    Published by:Piya Banerjee
    First published: