Shiboprosad Mukherjee: দাম্পত্যের সপ্তবর্ষ পাড়ি! লাল্টু-মিতালিকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা নেটিজেনদের

শিবপ্রসাদ ও গার্গী, ছবি-ফেসবুক

নেটিজেনরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লাল্টু দত্তকে, থুড়ি শিবপ্রসাদকে ৷ ২০১৪ সালের ৬ জুন তাঁর এবং নন্দিতা রায়ের পরিচালনায় মুক্তি পেয়েছিল ‘রামধনু’৷

  • Share this:

    কলকাতা : দাম্পত্যের প্রথম ৭ বছর নাকি খুব গুরুত্বপূর্ণ ৷ বলছেন লাল্টু দত্ত ৷ রবিবার সেই সময়কাল পাড়ি দিলেন তিনি এবং স্ত্রী মিতালি ৷ তাঁদের শুভেচ্ছা জানালেন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ৷ তাঁর ফেসবুকে জ্বলজ্বল করছে লাল্টু-মিতালির হাস্যোজ্জ্বল মুখ ৷

    নেটিজেনরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন লাল্টু দত্তকে, থুড়ি শিবপ্রসাদকে ৷ ২০১৪ সালের ৬ জুন তাঁর এবং নন্দিতা রায়ের পরিচালনায় মুক্তি পেয়েছিল ‘রামধনু’৷ ছবিতে তুলে ধরা হয়েছিল মধ্যবিত্ত বাঙালির চিরন্তন সমস্যা ৷ সন্তানকে নামী ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে ভর্তির সময় ইংরেজি বলতে না পারা এবং তার থেকে হীনমন্যতা ৷ বক্স অফিসে সুপারহিট হয়েছিল ‘রামধনু’৷ ছবির বার্তা ছুঁয়ে গিয়েছিল দর্শকদের ৷ গ্ল্যামার থেকে বহু দূরে মধ্যবিত্ত দম্পতির ভূমিকায় শিবপ্রসাদ ও গার্গীর অভিনয় এই ছবির অন্যতম সম্পদ ৷

    ‘রামধনু’-র ছায়ায় মালয়লম ভাষায় তৈরি হয় ‘সল্ট ম্যাঙ্গো ট্রি’৷ ২০১৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ইরফান খানের ছবি ‘হিন্দি মিডিয়াম’-ও আদতে শিবপ্রসাদ-নন্দিতার সৃষ্টিরই অনুসরণে তৈরি, সে অভিযোগও উঠেছিল ৷ ‘রামধনু’-র লাল্টু মিতালি জুটি এত জনপ্রিয় হয়েছিল, পরে ‘হামি’ ছবিতেও একই নাম ব্যবহার করা হয় শিবপ্রসাদ-গার্গীর ক্ষেত্রে ৷ শুধু পদবিটা পাল্টে ‘দত্ত’ থেকে ‘বিশ্বাস’ করে দেওয়া হয় ৷

    লাল্টু ও মিতালি যে দর্শকহৃদয়ের কত কাছে, তা বোঝা যায় শিবপ্রসাদের পোস্টের নীচে মন্তব্য দেখলেই ৷ অনেকেই রামধনুর দ্বিতীয় ভাগ দেখতে চেয়েছেন ৷ বাদ পড়েনি নেটিজেনদের রসিকতাও ৷ কেউ বলেছেন, লাল্টু মিতালির ছেলে যখন এত বড় হয়ে গেল, তখন দাম্পত্যের বয়স মোটে ৭ কী করে হয়? দত্ত পদবিধারী কোনও সুরসিকা আবার জানিয়েছেন, তিনি স্বামীকে ‘লাল্টু দত্ত’ বলে ডাকেন ৷ কারণ পদবি ছাড়াও পর্দার চরিত্রের সঙ্গে স্বামীর আরও অনেক সাদৃশ্য আছে ৷

    তবে বেশিরভাগ মন্তব্যেই দত্ত দম্পতিকে শুভ বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে৷ সঙ্গে সিনেপ্রেমী নেটিজেনদের আব্দার, বড় পর্দায় তাঁরা আরও অনেক বার ফিরে পেতে চান, লাল্টু ও মিতালি দত্তকে ৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: