Prriyam Chakroborty : কোলে নতুন অতিথি, মা হলেন অভিনেত্রী প্রিয়ম চক্রবর্তী

প্রিয়ম চক্রবর্তী, ছবি-ফেসবুক

মা হলেন প্রিয়ম চক্রবর্তী (Prriyam Chakroborty) ৷ শুক্রবার শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন অভিনেত্রী ৷

  • Share this:

    কলকাতা : মা হলেন প্রিয়ম চক্রবর্তী (Prriyam Chakroborty) ৷ শুক্রবার শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে পুত্রসন্তানের জন্ম দিলেন অভিনেত্রী ৷ সামাজিক মাধ্যমে সুখবর জানিয়েছেন প্রিয়মের স্বামী শুভজিৎ ৷ ইন্ডাস্ট্রির কুশীলব এবং নেটিজেনদের শুভেচ্ছাবার্তায় আপ্লুত অভিনেতা দম্পতি৷

    শুভজিতের সঙ্গে প্রিয়মের আলাপ কাজের সূত্রেই, বেশ কিছু বছর আগে ৷ তাঁদের এনগেজমেন্ট হয় ২০১৬ সালে ৷ গাঁটছড়া বাঁধেন তিন বছর পর, ২০১৯-এর ডিসেম্বরে ৷

    দুই তারকা ইন্ডাস্ট্রিতেও আছেন বেশ কয়েক বছর ধরে ৷ ‘মেমবউ’, ‘তারানাথ তান্ত্রিক’, ‘কৃষ্ণকলি’ ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ প্রিয়ম দর্শকদের নজর কেড়েছেন ‘রাসমণি’ ধারাবাহিকে ৷ দর্শকদের পছন্দতালিকার শীর্ষে থাকা এই ধারাবাহিকে তিনি অভিনয় করেছেন প্রসন্নময়ী চরিত্রে ৷

    অন্যদিকে শুভজিৎকে দর্শক মনে রেখেছেন ‘বকুলকথা’ এবং ‘চিরদিনই আমি যে তোমার’ ধারাবাহিকের খলচরিত্রের রূপকার হিসেবে ৷ ‘কে আপন কে পর’ ধারাবাহিকে তিনি অভিনয় করেন চিকিৎসকের ভূমিকায় ৷

    তাঁদের পরিবারে যে নতুন অতিথি আসতে চলেছে, সেই খবর গত ২০ জুন, পিতৃদিবসে সকলকে জানান শুভজিৎ ৷ ফেসবুকে যুগলের সাদাকালো ঘনিষ্ঠ ছবির সঙ্গে ছন্দ মিলিয়ে লেখা বার্তায় জানানো হয় প্রিয়ম সন্তানসম্ভবা ৷ গত কয়েক মাস ধরে কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন প্রিয়ম ৷ তখনই গুঞ্জন পুঞ্জীভূত হয়েছিল ৷

    পিতৃদিবসের পোস্টে তাঁদের ভালবাসার চিহ্নটিকে আশীর্বাদ জানানোর জন্য সকলের কাছে আর্জি জানিয়ে ছিলেন শুভজিৎ ও প্রিয়ম ৷ ছন্দোবদ্ধ সুরে লেখা বার্তা বলেছিল, ‘‘প্রকৃতির খামখেয়ালীতে অশান্ত এ পৃথিবীতে, তোমার আসার খবরটিতে হাসছি দেখো যুগলেতে। তোমার আসার সময় হল সবকিছু তাই ভুলিয়ে দিল, দুঃসময়ের চিন্তাগুলো কোথায় যেন হারিয়ে গেল। মোদের জীবন ধন্য করে এসো নতুন খুশির ভোরে, ঘরটি মোদের আলো করে আসবে তুমি কদিন পরে। তোমার আসার আনন্দেতে হাসছি মোরা যুগলেতে। সবাই আশিষ দিও মোদের, ভালবাসার চিহ্ন টিরে।’’

    অবশেষে অশান্ত সময়েই তাঁদের মাঝে ভালবাসার চিহ্ন ৷ নবজাতককে ঘিরে নতুন দিনের স্বপ্নে বিভোর শুভজিৎ-প্রিয়ম ৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: