Jaya Ahsan : এ কোন নরক এই পৃথিবীতে ! কাতর আর্তি অভিনেত্রীর

জয়া আহসান, ছবি-ফেসবুক

জয়ার আর্জি, এই যুদ্ধ থামুক ৷ রোদভরা মাঠে শিশুরা খেলা করুক খেজুরগাছের নীচে ৷ তাঁর পোস্টে প্রেক্ষিতে অসংখ্য মন্তব্য এসেছে নেটিজেনদের তরফে ৷

  • Share this:
    ‘এক জীবনে কি এটা খুব বড় প্রত্যাশা?’ প্রশ্ন জয়া আহসানের ৷ দুই বাংলার জনপ্রিয় শিল্পী সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তাঁর যুদ্ধবিরোধী বক্তব্য ৷ ইজরায়েল প্যালেস্তাইন যুদ্ধ ব্যথিত করেছে তাঁকে ৷ বিশেষ করে নিরপরাধ শিশুদের মৃত্যু তিনি মেনে নিতে পারছেন না ৷ ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘...ধ্বংসস্তুপের ঝাঁঝরা ইট সরিয়ে সরিয়ে তারা বের করে আনছে চাপা পড়ে থাকা শিশুদের। ওই কচি বাচ্চাগুলো ডুবে ছিল আলো–বাতাসহীন বিভীষিকার তলায়। একটি শিশুকে উদ্ধার করা হলো, ওর পুরো পরিবার পাঁচ মিনিট আগেও মমতায় ঘিরে রেখেছিল ওকে। পৃথিবীতে এখন সে একেবারে একা। ছোট্ট একট খুকি। এখনই তার পরিবার নেই, দেশ তো ছিলই না।’ জয়ার আর্জি, এই যুদ্ধ থামুক ৷  রোদভরা মাঠে শিশুরা খেলা করুক খেজুরগাছের নীচে ৷ তাঁর পোস্টে প্রেক্ষিতে অসংখ্য মন্তব্য এসেছে নেটিজেনদের তরফে ৷  পৃথিবীজুড়ে ধ্বংসলীলা বন্ধ হওয়ার দাবিতে সরব তাঁরাও ৷ প্রসঙ্গত বিশ্বজুড়ে অতিমারির মধ্যেই দশ দিন ধরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে ইজরায়েল-প্যালেস্তাইনের মধ্যে ৷  এখনও অবধি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২১৯ জন সাধারণ নাগরিক ৷ যাঁদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা ৬১ ৷ ইজরায়েলি সেনার দাবি, গত কয়েক দিনে তাঁদের নিশানা করে কয়েকশো রকেট ছুড়েছে হামাস ৷ তাদের হামলায় এখনও অবধি ১২ জন ইজরায়েলি নিহত হয়েছেন বলে দাবি ৷ অন্যদিকে তারা হামাসের একশোরও বেশি জঙ্গিকে হত্যা করেছে বলে দাবি ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর ৷ এই সংঘর্ষে গাজা ভূখণ্ড-সহ দু দেশের বিস্তীর্ণ অংশ আজ বিধ্বস্ত৷ ওই দু দেশের বাসিন্দাদের সঙ্গে আতঙ্কের প্রহর গুনছেন বিদেশিরাও ৷ পড়াশোনা ও কর্মসূত্রে বহু বিদেশি আটকে পড়েছেন সংঘর্ষরত দুই দেশে ৷ ইজরায়েলে কর্মরত ভারতীয় তরুণী সৌম্যা সন্তোষেরও মৃত্যু হয়েছে এই সংঘর্ষে ৷ আদতে কেরলের বাসিন্দা তিরিশ বছর বয়সি সৌম্যা সেখানে গৃহ সহায়িকার কাজ করতেন ৷ তাঁর একমত্র ছেলে কেরলেই থাকেন বাবার সঙ্গে ৷ গত ১১ মে তাঁর স্বামীর সঙ্গে ভিডিয়ো কলে কথা বলার সময় ক্ষেপণাস্ত্র হানায় মৃত্যু হয় সৌম্যার ৷
    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published: