হাতে সুস্মিতার নামের ট্যাটু করালেন রোহমান শাল, কিন্তু কালিটা চিরস্থায়ী নয়!

হাতে সুস্মিতার নামের ট্যাটু করালেন রোহমান শাল, কিন্তু কালিটা চিরস্থায়ী নয়!

আপাতত খবর মিলছে যে করোনাকালে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পরের বছরের শীতটা বিয়ের জন্য তুলে রেখেছেন সুস্মিতা!

আপাতত খবর মিলছে যে করোনাকালে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পরের বছরের শীতটা বিয়ের জন্য তুলে রেখেছেন সুস্মিতা!

  • Share this:

#মুম্বই: প্রেমিকার নাম ট্যাটু করা হয়েছে হাতে, সে তো খুবই প্রশংসার বিষয়! কিন্তু ওই ট্যাটু তামাম দুনিয়ায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল মারফত তুলে ধরার পাশাপাশি যা লিখেছেন রোহমান শাল, তা দেখেই সুস্মিতা সেনের শুভাকাঙ্খীদের চোখ কপালে উঠেছে!

খবর বলছে যে, রোহমান তাঁর হাতে একে অপরের সঙ্গে জুড়ে থাকা দুই S অক্ষর ট্যাটু করিয়েছেন। এর মধ্যে একটা যেমন তাঁর প্রেমিকা সুস্মিতার নাম বোঝায়, তেমনই আরেকটা বোঝায় তাঁর পদবীকে। বেশ কথা! কিন্তু সঙ্গে লিখেছেন রোহমান- কালিটা চিরস্থায়ী নয়! আর সেটাই ফেলে দিয়েছে সবাইকে ভাবনায়!

মানেটা তা হলে কী দাঁড়ায়? পরে দরকার মতো ট্যাটুটা মুছেও ফেলা যাবে? সত্যি বলতে কী, কোন সম্পর্কের আকাশে কখন যে কালো মেঘ ঘনিয়ে আসে আর তারপর কোন মুহূর্তে যে বাজ পড়ে, তা আগে থেকে বলা মুশকিল! এই যেমন, সুস্মিতার প্রাক্তন রণদীপ হুডার কথাই ধরা যাক না কেন! সে সম্পর্কও টিকে ছিল অনেক বছর ধরে! তারপর একদিন আচমকাই সব ভেঙে চুরমার!

অবশ্য নিন্দুকদের এই সব জল্পনাকে ভেঙে আর গুঁড়িয়ে দিয়ে রোহমানের পরের বক্তব্যেও চোখ রাখতে বলছেন বলিউডের বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের দাবি- এর ঠিক পরের লাইনেই তো রোহমান লিখেছেন যে ভালবাসা চিরস্থায়ী! অতএব আশঙ্কা করার মতো এখনই কিছু হয়নি! পাশাপাশি, তাঁরা আরেকটা দিকেও নজর দিতে বলছেন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য- ওই জোড়া S একসঙ্গে সুস্মিতা সেন বা সুস্মিতা শালও বোঝাতে পারে! আসলে সব ঠিক থাকলে এই বছরেই দু'জনের বিয়ে সেরে নেওয়ার কথা ছিল তো, তাই এ হেন ইঙ্গিত! আপাতত খবর মিলছে যে করোনাকালে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পরের বছরের শীতটা বিয়ের জন্য তুলে রেখেছেন সুস্মিতা!

এর মাঝে নায়িকা মন দেবেন একটু বেশি করে কাজকর্মে। রাম মধবানির ‘আরিয়া’ এর মধ্যেই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দারুণ সাড়া জাগিয়েছে। শোনা যাচ্ছে যে ,এখন তার দ্বিতীয় পর্বের শ্যুটিংয়ের জন্য তৈরি হচ্ছেন সুস্মিতা এবং বাকিরা। এর মাঝে সুস্মিতার নিজের কথা অনুযায়ী 'রোহম্যান্সিং' চলছে; আর কী!

Published by:Simli Raha
First published: