'আলিয়াকে আমার আর নীতুর পছন্দ'... বড্ড তাড়াহুড়ো হয়ে গেল, ছেলের বিয়েটা দেখে যেতে পারলেন না...

রণবীর কাপুরের বিয়েটা আর দেখা হল না...

রণবীর কাপুরের বিয়েটা আর দেখা হল না...

  • Share this:

    #মুম্বই:  চলে গেলেন ঋষি কাপুর। দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন, এক টানা চিকিৎসার পর গত বছরই দেশে ফেরেন। বুধবার সকালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে মুম্বইয়ের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন,কিন্তু শেষ রক্ষা হল না... ‘‘আমি আমার হাসি নিয়ে মানুষের কাছে বেঁচে থাকতে চাই। কান্না আমার পছন্দ না।’’ ...মারণ রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পরও মুশরে পড়েননি, বরং তাকে বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে হেসে খেলেই বাকি জীবনটা কাটাতে চেয়েছিলেন রাজ কাপুরের দ্বিতীয় পুত্র ঋষি কাপুর! হেসে খেলেই কাটালেন... ক্যান্সারের চিকিৎসা চলাকালীনও চিকিৎসকদের নানা ভাবে হাসি খুশিতে ভরিয়ে রাখতেন! আফটারঅল বলিটাউনের চকোলেট বয়, এভারগ্রিন সুপারস্টার... তাঁর অওরাই আলাদা...তাঁর মুখে কি চিন্তা শোভা পায় ?

    কিন্তু আফসোস, একটা কষ্ট থেকে যাবে 'বাবা'-র মনে... রণবীরের বিয়েটা দেখে যেতে পারলেন না! যদিও অফিশিয়ালি কেউ নিশ্চিত করেননি, কিন্তু রণবীর কাপুর- আলিয়া ভাটের প্রেমপর্ব কারওরই অজানা নয়। একবার একটি সাক্ষাৎকারে রণবীর-আলিয়ার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ঋষি জানান, '' এটা রণবীরের জীবন। ও কাকে বিয়ে করবে সেটা ওর সিদ্ধান্ত। আমার আলিয়াকে পছন্দ, নীতুর আলিয়াকে পছন্দ, রণবীরের আলিয়াকে পছন্দ! হয়ে গেল !'' তিনি আরও বলেন, '' আমি জাজমেন্টাল হতে পারিনা। আমার কাকু সামিজি, শষীজি নিজের জীবনসঙ্গী নিজে পছন্দ করেছিলেন, আমিও তাই করেছি। রণবীরেরও অধিকার আছে নিজের লাইফ পার্টনার নিজে বেছে নেওয়ার।''

    গত বছর অয়ন ‍মুখোপাধ্যায়ের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ ছবির শুটিং সেটেই শুরু লাভস্টোরি। পরিবারের এক সদস্যর থেকে জানা যায়, বিয়ের দিনক্ষণও প্রায় পাকা হয়ে গিয়েছিল । এ বছরই গাঁটছড়া বাঁধার কথা ছিল কপোত-কপোতির। কানাঘুষোয় শোনা যচ্ছিল, এই ডিসেম্বরেই নাকি চার হাত এক হচ্ছে  । প্রথমে ঠিক ছিল বিদেশে কোথাও ডেস্টিনেশ ওয়েডিং হবে, তবে পরে শোনা যায়, কাপুর আর ভাট পরিবার নাকি মুম্বইয়েই ১০ দিন ধরে ‘ব্যন্ড বাজা বারাত’ করতে চান । ডিসেম্বরের ২১ তারিখ থেকে মাসের শেষ পর্যন্ত বিলাসবহুল এই বিয়ের আসর বসার কথা ছিল । কিন্তু করোনা থাবায় দেশে সবকিছুই অনিশ্চিত হয়ে যায় । জানা যায়, বিয়ের অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দুই পরিবার ।

    Published by:Rukmini Mazumder
    First published: