হিংসা ছড়াচ্ছেন কঙ্গনা! অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ টুইটারের

হিংসা ছড়াচ্ছেন কঙ্গনা! অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ টুইটারের
সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পরে এক টুইট করে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ কঙ্গনার দিকে। তার পরেই কড়া পদক্ষেপ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পরে এক টুইট করে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ কঙ্গনার দিকে। তার পরেই কড়া পদক্ষেপ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে।

  • Share this:

    #মুম্বই: হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগ উঠেছে আমাজন প্রাইম ভিডিওর ওয়েবসিরিজ তাণ্ডব-এর বিরুদ্ধে। সেই বিতর্কে ঘি ঢেলেছেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ। তাই এবার কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্টের উপর পড়ল কোপ। বেশ কিছু বিষয় সাময়িক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। বুধবার নিজেই টুইট করে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    কঙ্গনা তাঁর একটি টুইটে তাণ্ডব সিরিজের নির্মাতাদের উদ্দেশে লেখেন, "কারণ ভগবান কৃষ্ণও শিশুপালের ৯৯টি ভুল ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। প্রথমে শান্তি তারপরে বিপ্লব। ওদের মাথা কেটে ফেলার সময় হয়েছে। জয় শ্রীকৃষ্ণ।" এই টুইটের পরেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন কঙ্গনা। তাণ্ডবের অভিনেতা ও পুরো টিমের বিরুদ্ধে হিংসায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। আবার কঙ্গনার কয়েকজন ভক্ত তাঁর সমর্থনেও কথা বলেন। যদিও এই টুইটটি ডিলিট পরে দেন কঙ্গনা।

    এই মন্তব্যের জেরেই তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টের উপর বিশেষ নজর রাখা হবে এবং বেশ কিছু বিষয় নিয়ন্ত্রিত হবে। কারণ ওই মন্তব্যের পরে অনেকেই কঙ্গনার অ্যাকাউন্টটিকে রিপোর্ট করেছিলেন। এর জন্য আবার টুইটারের 'লিবেরাল গোষ্ঠী'কে আক্রমণ করেছেন অভিনেত্রী। এই প্রসঙ্গে আবার টুইটারের সিইও জ্যাক ডোরিসকেও টেনে এনেছেন কঙ্গনা।


    কঙ্গনার কথায় এই "লিবেরাল গোষ্ঠী তাদের কাকু জ্যাক ডোরিসের কাছে বায়না করেছে আমার অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।" এর জন্য আবার চ্যালেঞ্জের ভঙ্গিতে কঙ্গনা বলেছেন, "সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ করলেও, এবার ছবিতে দেশভক্তি দেখাবেন তিনি। উদারনীতিকদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলবেন বলেও আক্রমণ করেছেন তিনি।"

    এর আগেও তাণ্ডব প্রসঙ্গে উদারবাদীদের আক্রমণ করে কঙ্গনা টুইট করেছেন। তিনি লিখেছিলেন, "যে উদারনীতিকরা ভয়ে মায়ের কোলে কাঁদছে তাঁরা এটা পড়ুন। আমি তোমাদের মাথা কাটতে বলিনি। এটা তো আমিও জানি পোকামাকড়দের আর কৃমিদের জন্য কীটনাশকই যথেষ্ট।"

    Published by:Swaralipi Dasgupta
    First published: