• Home
  • »
  • News
  • »
  • entertainment
  • »
  • করোনার কারণে যাত্রীশূন্য বাস, ফাঁকা বাস ছুটে চলছে জেলার এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে

করোনার কারণে যাত্রীশূন্য বাস, ফাঁকা বাস ছুটে চলছে জেলার এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে

করোনার কারণে যাত্রীশূন্য বাস, ফাঁকা বাস  ছুটে চলছে জেলার এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে

করোনার কারণে যাত্রীশূন্য বাস, ফাঁকা বাস ছুটে চলছে জেলার এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে

করোনার কারণে যাত্রীশূন্য বাস, ফাঁকা বাস ছুটে চলছে জেলার এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে

  • Share this:
    করোনার কারণে প্রায় যাত্রীশূন্য বাস, ফাঁকা বাস  ছুটে চলছে জেলার এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে। তমলুকের হসপিটাল মোড় এর উপর দিয়ে জয় বিভিন্ন রুটের বাস। কিন্তু প্রতিটি বাসের চিত্র একই। যাত্রী নেই প্রায় ফাঁকা বাস নিয়েই ছুটে চলছে বাস চালক। করোনার সংক্রমনের ভয়ে ক্রমশ যাত্রী হারাচ্ছে বিভিন্ন রুটের বাস। কোনো বাসে দশ থেকে বারো জন যাত্রী আবার কোনো বাসে সর্বসাকুল্যে তিনজন যাত্রী। এই অবস্থাতেই বাস দৌড়াচ্ছে তার নিজস্ব রুটে। শ্রীরামপুর মেচেদার রুটের বাসগুলোর অবস্থা খুব সঙ্গীন। বাসে যাত্রী নেই বললেই চলে। ফলে প্রতিনিয়ত লোকসানের মুখ দেখছে বাস মালিকগন। এভাবে দীর্ঘদিন লোকসান করে বাস কতদিন চলবে কেউ জানে না। সেই সঙ্গে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আরও বেশী ক্ষতির মুখে বাস মালিকেরা। শুধু মেছাদা শ্রীরামপুর রুটই নয়, জেলার মধ্যে অন্যান্য বাস রুট গুলোর অবস্থা একই। গত বছর করোনা অতিমারির জন্য প্রথমে বন্ধ থাকে বাস। তারপর লকডাউন উঠলে নিউ নর্মালে চালু হয় বিভিন্ন রুটে যাত্রী পরিবাহী প্রাইভেট বাস। সেই সময় থেকে আজ পর্যন্ত লোকসানের মুখ দেখছে আন্তঃজেলা রুটের বিভিন্ন বাস মালিকগন। করোনার নতুন করে আবার ফিরে এসেছে। সংক্রমনের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। যাত্রীরা সংক্রমনের ভয়ে এড়িয়ে যাচ্ছে প্রাইভেট বাস। ফলে কাজ হারানোর চিন্তায় পড়েছে বাস কর্মচারীরা, তাদের বক্তব্য, একেই তো যাত্রী ছিল না তার ওপর আবার এই করোনা ভাইরাসের নতুন করে সংক্রমণ এর ভয়ে সাধারণ মানুষ রাস্তাঘাটে বের হবে না। ফলে যদিও প্যাসেঞ্জার পাওয়া যেত সেটুকুও পাওয়া যাবে না। বাস মালিক দীর্ঘদিন লোকসানের বোঝা নিয়ে তো আর বাস চালাবে না। এমনিতেই অনেক  বাস মালিক লোকসানের কারণ দেখিয়ে রুটে বাস চালানো বন্ধ করে দিয়েছে। বাকি যেগুলো চলছে সেগুলো বন্ধ হলে তাদের রুটি রোজগারের টান পড়বে।
    Published by:Piya Banerjee
    First published: