একের পর এক নৃশংস খুন, এই পাঁচ তথ্যচিত্র দেখলে আঁতকে উঠবেন!

একের পর এক নৃশংস খুন, এই পাঁচ তথ্যচিত্র দেখলে আঁতকে উঠবেন!

কেউ ৩০ জনের বেশি মহিলাকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ করে খুন করেছে, কেউ বা নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মেয়েদের পুঁতে ফেলেছে।

কেউ ৩০ জনের বেশি মহিলাকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ করে খুন করেছে, কেউ বা নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মেয়েদের পুঁতে ফেলেছে।

  • Share this:

#মুম্বই: অনেকেরই ডার্ক থ্রিলার বা কোনও ক্রাইম স্টোরি দেখতে দারুণ লাগে। প্রায়শই সাবধান ইন্ডিয়া বা ক্রাইম পেট্রোলের এপিসোডেও ডুব দিই আমরা। কিন্তু এই পাঁচটি সত্য ঘটনা আপনাকে নাড়িয়ে দেবে। কেউ ৩০ জনের বেশি মহিলাকে নৃশংস ভাবে ধর্ষণ করে খুন করেছে, কেউ বা নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মেয়েদের পুঁতে ফেলেছে। কেউ আবার আশির দশকের সেরা সিরিয়াল কিলার। আসুন দেখে নেওয়া যাক, এমনই পাঁচ ক্রাইম ডকুমেন্টারি।

আমেরিকান মার্ডার: দ্য ফ্যামিলি নেক্সট ডোর (American Murder: The Family Next Door)

গল্পটিকে দেখার একাধিক আঙ্গিক রয়েছে। আর ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করা হয়েছে তথ্যচিত্রটি। তবে সমস্ত দিক থেকেই অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও নির্মম এই গল্প। একদিন উদ্যোগপতি শ্যানান ও তার দুই মেয়ে বেলা ও সেলেস্টে উধাও হয়ে যায়। হারিয়ে যাওয়ার সময় শ্যানান ১৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তদন্তে নেমে পুলিশ স্বামী ক্রিস ওয়াটসকে গ্রেফতার করে। পরে জানা যায়, স্ত্রী ও মেয়েদের পুঁতে ফেলেছে ক্রিস। আসলে নিকোল কেসিংগার নামে এক সহকর্মীর সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক ছিল ক্রিসের। তার উপরে একটা কঠিন অর্থনৈতিক সমস্যা চলছিল। এর জেরে ক্রিসের সঙ্গে তার স্ত্রী শ্যানানের পারিবারিক অশান্তি চরমে ওঠে। আর তার পরই এই নির্মম হত্যাকাণ্ড।

দ্য কেস এগেইনস্ট আদনান সইদ (The Case Against Adnan Syed)

এটি একটি চার পর্বের ডকু সিরিজ। ১৯৯৯ সালে নিজের প্রাক্তন প্রেমিকা হেই মিনকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় আদনানকে। পরের দিকে তাকে নির্দোষ প্রমাণ করা নিয়েও তোড়জোড় চলে। তবে ডকুমেন্টারি জুড়ে গল্পটিকে একটু অন্য আঙ্গিকে দেখানো হয়েছে । আদনান কী ভাবে ফাঁসছে, কী ভাবে তদন্তের শিকার হচ্ছে, একাধিক বিষয় নিয়ে গভীরে আলোচনা করা হয়েছে।

কাস্টিং জনবেনেট (Casting JonBenet)

মাত্র ছয় বছরের শিশু জনবেনেট রামসের (JonBenet Ramsey) হত্যাকাণ্ড সাড়া ফেলে দেয় দেশ জুড়ে। আর এই ঘটনাকেই নানা আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে। গল্পের টানাপোড়েনকে দারুণ ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ঘটনার একাধিক আর্কাইভ ফুটেজ অত্যন্ত বেদানাদায়ক।

কনফেশনস উইথ আ কিলার: দ্য টেড বান্ডি টেপস (Confessions with a Killer: The Ted Bundy Tapes)

বড়ই অদ্ভুত ধরনের গল্প। মূল ঘটনার উপরে ভিত্তি করে ২০১৯ সালে জ্যাক এফ্রন (Zac Effron) অভিনীত একটি সিনেমা মুক্তি পায়। একই বছর রিলিজ করে ডকুমেন্টারিটিও। টেড বান্ডির নানা ধরনের আর্কাইভাল ফুটেজ ও অডিও রেকর্ডিং ব্যবহার করা হয় এই তথ্যচিত্রে। তবে টেডকে তখন মৃত্যুর সাজা শোনানো হয়ে গিয়েছে। শেষ সময়ে নিজের অপরাধ ও জঘন্য কাজের উপর টেডের বক্তব্য তুলে ধরে এই তথ্যচিত্র। ৩০-এর বেশি মহিলাকে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও খুন করেছিল টেড।

নাইট স্টকার: দ্য হান্ট ফর আ সিরিয়াল কিলার (Night Stalker: The Hunt For a Serial Killer)

Netflix-এর এই ডকুমেন্টারি ইতিমধ্যেই বেশ জনপ্রিয় হয় উঠেছে। রিচার্ড রামিরেজ নামে এক সিরিয়াল কিলারকে নিয়ে গল্প। গিল কারিলো ও ফ্র্যাঙ্ক সালের্নো নামে দুই তদন্তকারী অফিসার গল্পটি বলতে শুরু করেন। ১৯৮৫ সালের লস অ্যাঞ্জেলস শহর। ভাঙা-চোরা বিদঘুটে দাঁতের এই মানসিক ভাবে বিকৃত খুনির ত্রাসে কেঁপে উঠেছিল পুরো শহর। ডকুমেন্টারিতে বলা হয়েছে, প্রথমের দিকে তথ্য-প্রমাণের অভাবে খুনগুলির কিনারা করাই প্রায় অসম্ভব হয়ে গিয়েছিল। তার পর শেষমেশ এই পাশবিক মানসিকতার অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়। দুর্বল হৃদয়ের মানুষরা সাবধান- এই ডকুমেন্টারি কিন্তু অত্যন্ত নৃশংস!

Published by:Simli Raha
First published: