Home /News /education-career /
বাবা মুখ্য বিচারপতির গাড়িচালক, জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় ৬৬ তম স্থান পেয়ে মেয়ের স্বপ্ন বিচারপতি হওয়ার

বাবা মুখ্য বিচারপতির গাড়িচালক, জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় ৬৬ তম স্থান পেয়ে মেয়ের স্বপ্ন বিচারপতি হওয়ার

স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপে পা রাখলেন কার্তিকা গেহলত

স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপে পা রাখলেন কার্তিকা গেহলত

Rajasthan Judiciary Exams: আশৈশব তিনি স্বপ্ন দেখে এসেছেন একদিন কালো কোট পরে তিনি আদালতে বিচারকের স্থানে বসছেন৷

  • Share this:

    যোধপুর : রাজস্থানের মুখ্য বিচারপতির গাড়ি চালান তাঁর বাবা৷ মেয়েও আইনি-পাঠে তৈরি করতে চান ভবিষ্যৎ৷ নিজের স্বপ্ন পূরণের প্রথম ধাপে পা রাখলেন কার্তিকা গেহলত৷ রাজস্থান জুডিশিয়ারি সার্ভিসেস-এর পরীক্ষার মেধাতালিকায় পেলেন ৬৬ তম স্থান৷ ২৩ বছর বয়সি এই তরুণী জানিয়েছেন তিনি জানতেন একদিন এই স্বপ্ন পূর্ণ হবে৷ কারণ আশৈশব তিনি স্বপ্ন দেখে এসেছেন একদিন কালো কোট পরে তিনি আদালতে বিচারকের স্থানে বসছেন৷

    কার্তিকা জানিয়েছেন, ‘‘আমার বাবা বহু দিন ধরে মুখ্য বিচারপতির গাড়ি চালিয়ে এসেছেন৷ খুব ছোট বয়স থেকেই ওই কালো কোট এবং আইন আদালতের পরিবেশ আমার মনের খুব কাছের হয়ে উঠেছে৷ বাচ্চাদের নানা বয়সে ইচ্ছে ও স্বপ্ন পাল্টে যায়৷ আমার বরাবর একটাই স্বপ্ন ছিল৷ আমি সেদিকেই এগিয়েছি৷ ’’ দৃপ্ত কণ্ঠে বলেছেন চার ভাইবোনের মধ্যে মেজো কার্তিকা৷ তাঁর বাকি ভাইবোনরাও আইন নিয়ে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী বলে জানিয়েছেন তিনি৷

    যোধপুরের সেন্ট অস্টিন্স স্কুলের প্রাক্তনী কার্তিকা ল’-এর ডিগ্রি পেয়েছেন যোধপুরেরই জয় নারায়ণ ব্যাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে৷ পঞ্চম ও ষষ্ঠ সেমিস্টার থেকে জেলা আদালতে ইন্টার্নশিপ তাঁকে স্বপ্নপূরণে সাহায্য করেছেন বলে জানান তিনি৷ কোভিডকালে তিনি পড়াশোনা করেছেন অ্যাপের দূরশিক্ষায়৷ সাধারণত তিনি দিনে গড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পড়াশোনা করেন৷ তবে পরীক্ষার কাছাকাছি সময়ে দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টাও পড়াশোনা করেছেন৷

    আরও পড়ুন : প্রচুর একাগ্রতা, তুখোড় বুদ্ধি, শারীরিক যোগ্যতা, আইএএস-আইপিএস হওয়ার মানদণ্ড

    আরও পড়ুন :  টেট উত্তীর্ণদের জন্য সুখবর, পুজোর পরেই প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ

    কার্তিকা মনে করেন স্কুলের পাঠ্যক্রম থেকেই আইনপাঠ একটু একটু করে শুরু হওয়া দরকার৷ শুধু মেয়েদেরই নয়, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের আইন নিয়ে সম্যক ধারণা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন এই কৃতী৷ ভুলতে পারেন না স্বপ্নপূরণের পথে পরিবারের সমর্থনকেও৷ আরও একটা জিনিসকে সাফল্যের চাবিকাঠি বলে মনে করেন তিনি৷ সেটা হল, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা৷ জানিয়েছেন কাজের প্রয়োজনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন ঠিকই৷ কিন্তু ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে তিনি নেই৷ ভার্চুয়াল জগতের আকর্ষণ থেকে তিনি দূরেই থাকতে ভালবাসেন৷

    Published by:Arpita Roy Chowdhury
    First published:

    Tags: Education, High Court, Rajasthan

    পরবর্তী খবর