• Home
  • »
  • News
  • »
  • education-career
  • »
  • EDUCATION STUDENTS SHOULD PAY 50 RUPEES FOR SCHOOL LEAVING HIGHER SECONDARY RESULT CHAOS IN BANKURA SCHOOL SDG

Bankura HS Result Chaos|| উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের থেকে মিষ্টি খেতে ৫০ টাকা! বাঁকুড়ার স্কুলে পড়ুয়া অসন্তোষ

বাঁকুড়ার স্কুলে পড়ুয়া অসন্তোষ।

Bankura News: স্কুলের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারীরা মিষ্টি খাবেন। তাই উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল লিভিং শংসাপত্র নিতে হলে ছাত্র ছাত্রী পিছু দিতে হবে পঞ্চাশ টাকা। বাঁকুড়ার স্কুলে পড়ুয়া অসন্তোষ।

  • Share this:

    #বাঁকুড়া: স্কুলের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারীরা মিষ্টি খাবেন। তাই উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল লিভিং শংসাপত্র নিতে হলে ছাত্র ছাত্রী পিছু দিতে হবে পঞ্চাশ টাকা। মাথাপিছু পঞ্চাশ টাকা করে নিয়ে স্কুলের ভেতর স্কুল লিভিং শংসাপত্র দেওয়ার কাজ চলছিল অবাধেই। তাল কাটল কিছু ছাত্র-ছাত্রীর প্রতিবাদে। সংবাদমাধ্যম পৌঁছাতেই তড়িঘড়ি বন্ধ করা হল টাকা নেওয়ার প্রক্রিয়া। ঘটনা বাঁকুড়া মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলের।

    গত বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। বাঁকুড়া মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল থেকে চলতি বছর উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেছে জন ছাত্র-ছাত্রী। নিয়ম অনুযায়ী উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিটের সঙ্গেই স্কুলের তরফে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়ার কথা স্কুল লিভিং শংসাপত্র। পরবর্তীতে কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরী এই শংসাপত্র। স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের অভিযোগ শুক্রবার থেকে স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক উত্তির্ণ দের মার্কশিট দেওয়ার কাজ শুরু করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। মার্কশিট নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো টাকা না লাগলেও স্কুল লিভিং শংসাপত্র নিতে গেলে ছাত্র ছাত্রী পিছু ৫০ টাকা করে দিতে হবে পরিস্কার ভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের এ কথা স্কুলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অত্যন্ত জরুরী এই শংসাপত্র পেতে অনেকেই গতকাল থেকে মাথাপিছু পঞ্চাশ টাকা করে দিয়ে স্কুল লিভিং শংসাপত্র তুলে নেয়।

    কিন্তু তাল কাটে আজ দুপুরে। স্কুল লিভিং শংসাপত্র নিতে গিয়ে অনৈতিক ভাবে এই টাকা দিতে অস্বীকার করে বেশ কয়েকজন ছাত্র ছাত্রী। আর তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা স্কুলে যেতেই বিষয়টি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। পরে টাকা নেওয়ার ছবি ক্যামেরায় ধরা পড়তেই প্রধান শিক্ষকের সাফাই, স্কুলের অশিক্ষক কর্মীরা সারা বছর কাজ করে। তারাই মিষ্টি খেতে ওই টাকা নিচ্ছিল। বিষয়টি অন্যায় বলে স্বীকার করে দ্রুত টাকা নেওয়া বন্ধের নির্দেশ দেন বাঁকুড়া মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সাধন ঘোষ।

    Published by:Shubhagata Dey
    First published: