১৬ বছরের কিশোরীকে ৬ জন মিলে গণধর্ষণ, নির্যাতিতার সঙ্গে বাবা-শিশুকেও থেঁতলে খুন ঝাড়খণ্ডে

১৬ বছরের কিশোরীকে ৬ জন মিলে গণধর্ষণ, নির্যাতিতার সঙ্গে বাবা-শিশুকেও থেঁতলে খুন ঝাড়খণ্ডে
প্রতীকী ছবি

গত ২৯ জানুয়ারি ঘটনাটি ঘটে৷ যদিও মঙ্গলবারই তা জানাজানি হয়েছে৷

  • Share this:

    #রাঁচি: ১৬ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণ করে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হল৷ একই সঙ্গে নির্যাতিতার বাবা এবং তাঁর চার বছর বয়সি নাতনিকেও প্রাণে মারল দুষ্কৃতীরা৷ নৃশংস এই ঘটনা ঘটেছে ছত্তীসগড়ের কোরবা জেলায়৷

    লেমরু থানা এলাকার গাধুপ্রধা গ্রামের কাছে গত ২৯ জানুয়ারি ঘটনাটি ঘটে৷ যদিও মঙ্গলবারই তা জানাজানি হয়েছে৷ ইতিমধ্যেই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ছ' জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ৷ ধৃতরা সকলেই সাতরেঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা৷

    পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতার বাবা মূল অভিযুক্ত সাঁতরাম মাঝওয়ারের বাড়িতে গত বছরের জুলাই মাস থেকে গবাদি পশু দেখাশোনার কাজ করতেন৷ প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গত ২৯ জানুয়ারি ঘটনার দিন ওই ব্যক্তি এবং তাঁর মেয়ে ও এক নাতনিকে মোটরসাইকেলে করে গ্রামে ছাড়তে যাচ্ছিল মূল অভিযুক্ত সাঁতরাম৷


    জানা গিয়েছে, যাত্রাপথে কোরাই গ্রামের কাছে মোটরসাইকেল থামিয়ে মদ্যপান করে মাঝওয়ার৷ এর পর তার সঙ্গে বাকি অভিযুক্তরা যোগ দেয়৷ গাধুপ্রধা গ্রামের কাছে পাহাড়ের ঘেরা একটি জঙ্গলের মধ্যে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে অভিযুক্তরা৷ তার পরে তিন জনকেই পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করে জঙ্গলের মধ্যে দেহগুলি ফেলে দিয়ে অভিযুক্তরা চম্পট দেয়৷

    মঙ্গলবারই নির্যাতিতার দাদা লেমুর থানায় তিন জনের নামে নিখোঁজ ডায়েরি করে৷ দ্রুত তদন্তে নেমে অভিযুক্তদের জেরা করার পর গ্রেফতার করে পুলিশ৷ ধৃতদের থেকে ঘটনার কথা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ৷ বাকি দু' জন মারা গেলেও তখনও বেঁচে ছিল নির্যাতিতা৷ কিন্তু পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় ওই কিশোরীর৷ ধৃতদের বিরুদ্ধে খুন, গণধর্ষণ ছাড়াও পকসো আইনে মামলা করেছে পুলিশ৷ এ ছাড়াও তফশিলি জাতি উপজাতিদের উপরে নির্যাতনের ধারাও যোগ করা হয়েছে৷

    Published by:Debamoy Ghosh
    First published:

    লেটেস্ট খবর