কালিয়াচক হত্যাকাণ্ডে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ট্যুইস্ট, বাবার গলায় ক্ষত চিহ্ন, মায়ের গলায় দাগ

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ভাবাচ্ছে পুলিশকে, কারণ আসিফের বয়ানের থেকে বড় অসঙ্গতি এল ময়নাতদন্তের রিপোর্টে৷

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ভাবাচ্ছে পুলিশকে, কারণ আসিফের বয়ানের থেকে বড় অসঙ্গতি এল ময়নাতদন্তের রিপোর্টে৷

  • Share this:

#মালদহ: কালিয়াচক হত্যাকাণ্ডে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নতুন তথ্য মিলল । আসিফের বাবার গলায় ক্ষত চিহ্ন । মায়ের গলায় মিলেছে  দাগ। খুনের ঘটনায় কোনও তথ্য লুকোচ্ছে আসিফ ? সন্দেহ তদন্তকারীদের । আসিফকে নতুন করে জেরা করার সিদ্ধান্ত । আদালতে গিয়ে আসিফকে ফের জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ । আসিফকে জেলা সংশোধনাগারে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন মঞ্জুর মালদহ আদালতে জানালেন জেলা পুলিশ সুপার অলোক রাজরিয়া। ময়নাতদন্তের যুক্ত চিকিৎসকদের সঙ্গেও  কথা বলেছে পুলিশ ।আসিফের বাবার গলায় ক্ষত চিহ্ন কিভাবে তৈরি হয়েছে ? মায়ের গলায় দাগ কিসের ? খুনের আগে মাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করার মতো কোনো ঘটনা হয়েছে কিনা ? বাবাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোনরকম আঘাত করা হয়েছিল কী ?  নিশ্চিত হতে চাইছে পুলিশ ।

এতদিন পুলিশের জেরায় ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো এবং তারপর জলভর্তি ট্যাঙ্কে হাত- পা বেঁধে, মুখে সেলটেপ আটকে খুনের কথা জানিয়েছিল আসিফ। হত্যাকাণ্ডে এর বাইরেও কোনও তথ্য রয়েছে ।  ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর আশঙ্কা পুলিশের ।

মালদহের কালিয়াচকে পুরাতন ১৬ মাইলে গুরুটোলা এলাকায় বাবা , মা , ঠাকুমা এবং বোনকে খুনের অভিযোগ বাড়ির ছোট ছেলে ১৯ বছরের আসিফ মহম্মদের বিরুদ্ধে । দাদাকেও খুনের চেষ্টা হয়েছিল বলে পুলিশে অভিযোগ জানান, মহম্মদ আরিফ । খুনের পর চার জনের দেহ মাটি খুঁড়ে পুতে দেওয়া হয় । প্রায় চার মাস পর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ । জেরায় আসিফ খুনের কথা স্বীকার করলেও গলা টেপা বা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত এমন কোনো ঘটনা জানায়নি । এমন কি ঘটনার পুর্ন নির্মানের সময়ও এমন কোনো বিষয় উঠে আসেনি । কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বাবা ও মায়ের শরীরে যে ভাবে দাগ  ও ক্ষত চিহ্ন মিলেছে তা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের।

Sebak DebSarma

Published by:Debalina Datta
First published: