• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • JNANESWARI ACCIDENT OSSIFICATION TEST IS THE ONLY HOPE TO KNOW ABOUT AMRITAVA CHOWDHURYS REAL AGE SS

Amritava Chowdhury: ‘জীবিত’ অমৃতাভকে দেখতে ২৮-৩০ বছরের, বার্থ সার্টিফিকেট অনুযায়ী বয়স ৩৯, ভরসা ওসিফিকেশন টেস্টই!

এবার অমৃতাভ চৌধুরীর (Amritava Chowdhury) বয়স নিয়েও ধন্দ। সিবিআই সূত্রে খবর, অমৃতাভর বয়স যাচাইয়ে ওসিফিকেশন টেস্ট হবে ৷

এবার অমৃতাভ চৌধুরীর (Amritava Chowdhury) বয়স নিয়েও ধন্দ। সিবিআই সূত্রে খবর, অমৃতাভর বয়স যাচাইয়ে ওসিফিকেশন টেস্ট হবে ৷

  • Share this:

    কলকাতা: জ্ঞানেশ্বরী প্রতারণাকাণ্ডে অভিযুক্ত অমৃতাভ চৌধুরীর (Amritava Chowdhury) বয়স নিয়েও ধন্দ। দুর্ঘটনায় মৃত অমৃতাভর বার্থ সার্টিফিকেট অনুযায়ী এখন তাঁর ৩৯ বছর হওয়ার কথা। কিন্তু জীবিত অমৃতাভকে দেখতে ২৮ থেকে ৩০ বছর বয়সিদের মতো। তাহলে কি বার্থ সার্টিফিকেটও জাল? বয়স যাচাইয়ে করা হবে ওসিফিকেশন টেস্ট।

    জ্ঞানেশ্বরী প্রতারণা কাণ্ড। রেলের খাতায় নিজেকে মৃত দেখিয়ে ক্ষতিপূরণ। বোনের চাকরি। অভিযুক্ত অমৃতাভ চৌধুরী জীবিত। এবার অমৃতাভর বয়স নিয়েও ধন্দ। সিবিআই সূত্রে খবর, অমৃতাভর বয়স যাচাইয়ে ওসিফিকেশন টেস্ট হবে ৷ সিবিআই জানতে চাইছে, অমৃতাভর বয়স আসলে কত? কারণ, ‘মৃত’ অমৃতাভর বার্থ সার্টিফিকেট অনুযায়ী ১৯৮২ সালে জন্ম ৷ তাহলে এখন অমৃতাভর ৩৯ বছর হওয়ার কথা ৷ কিন্তু অমৃতাভকে দেখতে ২৮ বা ৩০ বছর বয়সিদের মতো৷ তাহলে কি ক্ষতিপূরণ ও চাকরি পেতে বার্থ সার্টিফিকেটও জাল?

    অমৃতাভর আসল বয়স জানতে ওসিফিকেশন টেস্টই ভরসা ৷ কারও বয়স যাচাইয়ে হাড় থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয় ৷ অমৃতাভর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও ধোঁয়াশায় সিবিআই। সূত্রের খবর, জ্ঞানেশ্বরী দুর্ঘটনায় ‘মৃত’ অমৃতাভ  বিপি পোদ্দার থেকে বি টেক পাশ করেন ৷  কিন্তু ‘জীবিত’ অমৃতাভর দাবি, ইঞ্জিনিয়ারিং-এর কিছুই তাঁর মনে নেই ৷

    এখন অমৃতাভর আসল পরিচয় জানতে ডিএনএ টেস্টই ভরসা সিবিআইয়ের। সূত্রের খবর, অমৃতাভর ডিএনএ টেস্টের প্রস্তুতিও তুঙ্গে ৷  কয়েকটি সরকারি হাসপাতালে কথা বলেছে সিবিআই ৷

    জ্ঞানেশ্বরী দুর্ঘটনা হয় ২০১০ সালে। মন্তেশ্বরে গ্রামের বাড়িতে অমৃতাভ দাবি করেন, তিনি সাত বছর তামিলনাড়ুতে জঙ্গিদের ডেরায় ছিলেন। ২০১৭-য় ফিরে আসার পর পুলিশ বা রেলকে জানাতে চান আত্মীয়রা। তাঁদের দাবি, তখন অমৃতাভ অস্বাভাবিক আচরণ করতেন। অমৃতাভর পরিবারের দাবি, দেড় বছর তাঁর মানসিক চিকিৎসা চলছে ৷ চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখছে সিবিআই ৷

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: