• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • সোনার কয়েন দেখিয়ে প্রতারণা ! ৬ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক ব্যক্তি

সোনার কয়েন দেখিয়ে প্রতারণা ! ৬ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক ব্যক্তি

মন্দির তৈরির জন্য অনুদান চেয়ে আবেদন করে রামমন্দির ট্রাস্ট। সেই আবেদনের পরই ভরে উঠছে ট্রাস্টের ভাঁড়ার ৷ টাকা, সোনায় দান ভক্তদের ৷ যোগী আদিত্যনাথ ১১ লক্ষ টাক, কেশব মৌর্য, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ৬ লক্ষ ৬০ হাজার, মোরারি বাপু ৫ কোটি, মহাবীর ট্রাস্ট ১০ কোটি ৷ কে শ্রীনিবাস, ব্যবসায়ী সোনার জানলা, রুপোর দরজা জুয়েলার্স ফেডারেশন ৩৩ কেজি রুপো ৷ পিএন রাও, ব্যবসায়ী ২১ লক্ষ টাকা ৷Representational Image

মন্দির তৈরির জন্য অনুদান চেয়ে আবেদন করে রামমন্দির ট্রাস্ট। সেই আবেদনের পরই ভরে উঠছে ট্রাস্টের ভাঁড়ার ৷ টাকা, সোনায় দান ভক্তদের ৷ যোগী আদিত্যনাথ ১১ লক্ষ টাক, কেশব মৌর্য, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ৬ লক্ষ ৬০ হাজার, মোরারি বাপু ৫ কোটি, মহাবীর ট্রাস্ট ১০ কোটি ৷ কে শ্রীনিবাস, ব্যবসায়ী সোনার জানলা, রুপোর দরজা জুয়েলার্স ফেডারেশন ৩৩ কেজি রুপো ৷ পিএন রাও, ব্যবসায়ী ২১ লক্ষ টাকা ৷Representational Image

একটি সোনার মুদ্রা দেখার পর ওই একইরকম আরও ৩০০টি মুদ্রা কিনতে গিয়েই শেষপর্যন্ত ৬ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক ব্যক্তি ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রথমে মাত্র একটা সোনার মুদ্রাকে দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে চমকে দিয়েছিল এক ব্যক্তি ৷ সেই ব্যক্তি যে আসলে প্রতারক, তা আন্দাজ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব ছিল না ৷ একটি সোনার মুদ্রা দেখার পর ওই একইরকম আরও ৩০০টি মুদ্রা কিনতে গিয়েই শেষপর্যন্ত ৬ লক্ষ টাকা খোয়ালেন এক ব্যক্তি ৷

    বেনিয়াপুকুর থানার গোবরা রোডের বাসিন্দা কাজি হাফিজুর রহমান প্রতারণার শিকার ৷ পুলিশকে তিনি জানান, শ্যাম মুর্মু ওরফে রাজু নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয় ৷ তার কাছে একটি সোনার মুদ্রা দেখার পর রাজু হাফিজুরকে জানায়, তার কাছে আরও এরকম কয়েন আছে ৷ শ্যাম মুর্মু একজন গরিব আদিবাসী শ্রমিক। বীরভূমের গ্রামে থাকে। বাড়ির ভিত কাটতে গিয়ে মাটি খুঁড়ে এক ঘড়া নবাবি আমলের খাঁটি সোনার মোহর সে পেয়েছে। ঘড়াতে প্রায় ৩০০ মোহর রয়েছে। শ্যাম গরিব মানুষ, এত মোহর নিয়ে সে কী করবে! তাই ও সস্তায় বিক্রি করতে চায়। এমনটাই জানানো হয় হাফিজুরকে ৷

    প্রথমে যে সোনার কয়েন রাজু হাফিজুরকে দেখায়, তা পরীক্ষা করে দেখবার পর নিশ্চিত হয়েই রাজুর কাছ থেকে আরও বেশি কয়েন কেনায় আগ্রহ প্রকাশ করে হাফিজুর ৷ বাকি মুদ্রাগুলির কেনার দিন ঠিক হওয়ার পর হাফিজুর সেগুলি রাজুর থেকে কেনেন ৷ কিন্তু সেই মুদ্রাগুলি পরীক্ষা করে দেখার পর দেখা যায়, সেগুলি নকল ৷ সোনার তো নয়ই, আদতে সেগুলি তামার তৈরি ৷ তারপর থেকেই রাজুকে বারবার ফোন করেও আর পাননি হাফিজুর ৷ তিনি যে প্রতারিত হয়েছেন, তা বুঝতে আর খুব বেশি সময় লাগেনি ৷ অভিযোগ পেয়ে রাজু-সহ বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ ৷

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: