• Home
  • »
  • News
  • »
  • crime
  • »
  • 'কলিযুগে মেয়েদের জন্মানো পাপ'! দুই মেয়েকে বলি দেওয়ার অভিযোগে ধৃত শিক্ষক বাবা-মা

'কলিযুগে মেয়েদের জন্মানো পাপ'! দুই মেয়েকে বলি দেওয়ার অভিযোগে ধৃত শিক্ষক বাবা-মা

একটি মর্মান্তিক এবং হাড়হিম করা ঘটনায় তাজ্জব হয়েছেন অনেকেই। দুই যুবতী মেয়েকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্র প্রদেশের মদনাপল্লী জেলার শিবনগর স্থানে।

একটি মর্মান্তিক এবং হাড়হিম করা ঘটনায় তাজ্জব হয়েছেন অনেকেই। দুই যুবতী মেয়েকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্র প্রদেশের মদনাপল্লী জেলার শিবনগর স্থানে।

একটি মর্মান্তিক এবং হাড়হিম করা ঘটনায় তাজ্জব হয়েছেন অনেকেই। দুই যুবতী মেয়েকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্র প্রদেশের মদনাপল্লী জেলার শিবনগর স্থানে।

  • Share this:

    #চিত্তোর: একটি মর্মান্তিক এবং হাড়হিম করা ঘটনায় তাজ্জব হয়েছেন অনেকেই। দুই যুবতী মেয়েকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে অন্ধ্র প্রদেশের মদনাপল্লী জেলার শিবনগর স্থানে।

    ভি পদ্মজা এবং পুরুষোত্তম নাইডু, এই দম্পতি শহরের একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের সংবাদদাতা এবং মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হিসাবে কাজ করত। তাঁদের বড় মেয়ে আলেখ্যা (বয়স ২৭) ভোপালে একটি কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আর ছোট মেয়ে সাই দিব্যা (বয়স ২২) বিবিএ করেছেন। মুম্বইয়ের এ আর রহমান মিউজিক স্কুলের ছাত্রী দিব্যা লকডাউনের পর বাড়ি ফিরেছিলেন।

    মদনাপল্লীর ডিএসপি রবি মনোহরা চারি জানান, কোভিড ১৯-এর লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে বেশিরভাগ সময় ওই দম্পতি নিজেদের বাড়িতে আবদ্ধ রেখে অদ্ভুত আচরণ করছিল। রবিবার দিন তাদের বাড়ি থেকে প্রচন্ড জোরে চিৎকারের আওয়াজ শুনে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

    প্রাথমিকভাবে এই দম্পতি পুলিশকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেওয়ায় সন্দেহ আরও বাড়তে থাকে। পুলিশ বাড়িতে জোর করে ঢোকার পরে দেখে, একটা মেয়ে পুজোর ঘরে মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং অন্য একটি ঘরে লাল রঙের কাপড় জড়ানো অবস্থায় আর একজন মেয়ে চিত হয়ে পড়ে রয়েছে। তার পাশে কিছু পুজোর সামগ্রী।

    ডিএসপি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, "আমাদের প্রাথমিক তদন্তের সময় মনে হয়েছিল যে এই দম্পতি অত্যন্ত কুসংস্কারজনক। কারণ আমরা যখন নিহতদের মৃতদেহ ঘর থেকে বার করে আনছিলাম, তখন তারা বলেছিল, কিছু ক্ষণ পরেই তাদের মেয়ে আবার জীবন্ত হয়ে উঠবে"। এই দম্পতি পুলিশকে আরও বলেছিল যে রবিবার গভীর রাতে কলিযুগ শেষ হতে চলেছে, যা মেয়েদের পক্ষে ভাল নয়। তাই তাঁদের উৎসর্গ করা হয়েছে। আর কিছু ক্ষণ বাদেই শুরু হতে চলেছে সত্যযুগ, তখনই আবার পুর্নজন্ম লাভ করবে তাদের দুই মেয়ে।

    ডিএসপি আরও বলেন যে, তিনি এবং তাঁর তদন্তকারী দল এই বিষয়টির সম্পর্কে তল্লাশি শুরু করেছে। লকডাউনের সময় কোনও তান্ত্রিক বা স্বামীজি বাড়িটিতে গিয়েছিল কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য বাড়িতে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরাগুলির ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা পুলিশকে জানায় যেহেতু পরিবারটি শিবনগরে কিছু দিন আগে এসেছে, তাই অনেক আত্মীয় বা বন্ধুবান্ধব সেরকম ভাবে পরিবারের সঙ্গে দেখা করত না। তবে তারা পুলিশকে জানিয়েছিল যে কিছু স্বামীজী প্রায়শই বাড়িতে আসত।

    অনেক কষ্টে পুলিশ মৃত দেহগুলি ময়না তদন্তের জন্য সরকারী হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই দম্পতিকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই দম্পতি সমাজে প্রতিষ্ঠিত এবং দুজনেই শিক্ষিত। তাহলে এই ঘটনা কীভাবে ঘটল তা ভেবে পাচ্ছে না পুলিশ। এই ঘটনার পিছনে অন্য কোনও ব্যাক্তির মদত রয়েছে কিনা এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    Published by:Somosree Das
    First published: