করোনা কাড়ল ওয়াজিদের প্রাণ, সঙ্গীত পরিচালকের শেষকৃত্য সম্পন্ন

Last Updated:

মুম্বইয়ের ভারসোভার কবরস্থানেই সোমবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হল ওয়াজিদের ৷

#মুম্বই: করোনায় স্তব্ধ গোটা দেশ ৷ গত দু’মাস ধরে লকডাউনের মধ্যে শুধু একের পর এক দুঃসংবাদই পেয়েছেন সাধারণ মানুষ ৷ এবার বলিউড হারাল আরও এক দুর্দান্ত প্রতিভাকে ৷ হিন্দি সিনেমাকে একাধিক হিট গান উপহার দেওয়া সঙ্গীত পরিচালক ওয়াজিদ খান রবিবার রাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪২ বছর ৷
এত কম বয়সে ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম সেরা সঙ্গীত পরিচালককে হারানোর শোকে বিহ্বল গোটা বলিউড ৷ কিন্তু যন্ত্রণার বিষয় এটাই যে ওয়াজিদের শেষযাত্রাতেও তাঁর ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুরা কেউ সামিল হতে পারলেন না  ৷ মুম্বইয়ের ভারসোভার কবরস্থানেই সোমবার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় ওয়াজিদের ৷
View this post on Instagram

#wajidkhan last journey #rip

A post shared by Viral Bhayani (@viralbhayani) on

advertisement
advertisement
সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে ওয়াজিদের দাদা সাজিদ খান জানান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে ৷ পাশাপাশি ওয়াজিদের রিপোর্ট করোনা পজিটিভ ছিল বলেও জানান তিনি ৷ দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যাতেও ভুগছিলেন ওয়াজিদ ৷
জানা গিয়েছে, গত চারদিন ধরে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ওয়াজিদ খান। কিডনিতে ইনফেকশন নিয়ে ভর্তি হন তিনি। দিন কয়েক আগেই তাঁর কিডনিতে অস্ত্রোপচারও হয়েছিল। রবিবার গভীর রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ওয়াজিদ।
advertisement
জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক ( সাজিদ-ওয়াজিদ জুটি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন) ওয়াজিদ খানের মৃত্যুর পর শোক প্রকাশ করে ট্যুইট করেন মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখও। এই কঠিন সময়ে ওয়াজিদ খানের পরিবার, বন্ধু এবং তাঁর ফ্যানরা যাতে আরও শক্তি পায় মনের দিক থেকে, সে বিষয়ে প্রার্থনা করেন অনিল দেশমুখ।
advertisement
view comments
বাংলা খবর/ খবর/করোনা ভাইরাস/
করোনা কাড়ল ওয়াজিদের প্রাণ, সঙ্গীত পরিচালকের শেষকৃত্য সম্পন্ন
Next Article
advertisement
‘আমরা ট্যাক্স দিই এই জন্য?’ দিল্লির বিষাক্ত দূষণে নাক–গলার অস্ত্রোপচার ছোট্ট ছেলের, ভেঙে পড়লেন মা!
‘ট্যাক্স দিই এই জন্য?’ দিল্লির বিষাক্ত দূষণে নাক–গলায় অস্ত্রোপচার ছেলের, ভেঙে পড়লেন মা
  • সাক্ষী পাহাওয়ার ছেলের শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয় যে চিকিৎসকদের অস্ত্রোপচার করতে হয়.

  • দিল্লি-এনসিআর দূষণের কারণে সাক্ষীর ছেলের শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে যায়, চিকিৎসায় কাজ হয়নি.

  • দূষণের কারণে ছেলের অ্যাডিনয়েড ও টনসিল স্টেজ-৪ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, অস্ত্রোপচার ছাড়া উপায় ছিল না.

VIEW MORE
advertisement
advertisement