corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাস চালাতে চান মালিকপক্ষ, ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দূরপাল্লার ভলভো বাসেও

বাস চালাতে চান মালিকপক্ষ, ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দূরপাল্লার ভলভো বাসেও

বাস চালানোর দাবিতে সরব হলেন ভলভো বাসের মালিকরা । বাড়তে পারে ভাড়া ।

  • Share this:

#কলকাতাঃ বেসরকারি বাস ও মিনিবাসের ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সরব বাস মালিকরা । এবার বাস চালানোর দাবিতে সরব হলেন ভলভো বাসের মালিকরাও । কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি, কলকাতা থেকে আসানসোল, কলকাতা থেকে পুরী বহু যাত্রী এখন পছন্দ করেন ভলভো বাসে যেতে পছন্দ করেন । প্রতিদিন তাই ভলভো বাসের সব আসন বুক থাকত । লকডাউনের জেরে ক্ষতির পাল্লা বাড়ছে ভলভো বাসের । লাভজনক রুটে আগামী দিনে তাই বাড়তে পারে ভলভো বাসের ভাড়াও ।

ভলভো ও হাই এন্ড বাস। কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি বা ভুবনেশ্বর অবধি ট্রেনের টিকিট কনফার্ম না হলেও চিন্তা থাকত না । ভলভো বা হাই এন্ড বাসে চেপে গন্তব্যে পৌছে যেতে পারতেন যাত্রীরা । নামে বাস হলেও বাসের ভেতরের চেহারা বিমানের মতোই । বাসের ভাড়া ট্রেন  ভাড়ার সমতুল্যই ছিল । গত ১০ বছর ধরে রেলের সাথে পাল্লা দিয়ে চলা এই বাসের বাজার লকডাউনে পুরো শেষ বলেই দাবি । নরম গদির আসনে ধুলো জমেছে । শক্তিশালী বাতানুকূল যন্ত্রে নোংরা জমেছে । তার মধ্যে যাত্রী পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাসের বাকি যন্ত্রাংশ কতটা ঠিক আছে তা নিয়ে সংশয়ে আছেন বাস মালিকরা ।

রাজ্য পরিবহন দফতরের হিসেব কলকাতা থেকে প্রতিদিন ভলভো বাস চলে ৯৮ টি । এই সব বাসের একটি'র দাম প্রায় ১ কোটি টাকা। হাই এন্ড বাস চলে ২৮৯ টি । ভাড়া দুরত্ব হিসেবে ৫০০ থেকে ১৩০০ টাকা অবধি । এক একটি বাসে আসন ৪৫ থেকে ৬০টি। মোট ৫৭ টি রুটে এই বাস চলে । ভাড়া বাবদ আয় হয় দিনে এক থেকে দেড় কোটি টাকা। লাভজনক রুট কলকাতা থেকে দূগাপুর, কলকাতা থেকে আসানসোল, কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি, কলকাতা থেকে দীঘা, কলকাতা থেকে পুরী ও কলকাতা থেকে ধানবাদ। কোনও বাস ফাঁকা যায় না । এখন লকডাউনের জেরে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন এই বাস মালিকরা।

ভলভো বাসের পরিষেবা দেয় গ্রিনলাইন বলে একটি সংস্থা । তাদের অংশীদার অনুরাগ অগরওয়াল বলেন, " আমাদের কোনও বাস ফাঁকা যেত না । এখন কর্মীদের মাইনে দেব না বাস রক্ষণাবেক্ষণ করব তা বুঝে উঠতে পারছি না ।" কলকাতা থেকে বাংলাদেশ অবধি ভলভো চালায় শ্যামলী পরিবহণ । তাদের মালিক অবনী ঘোষ বলেন, " পয়লা বৈশাখ ও অক্ষয় তৃতীয়ায় কলকাতা থেকে বহু মানুষ বাসে যান সেই সব টিকিট বাতিল হল । ইদে বহু মানুষ এখানে বাজার করতে আসেন তারাও কেউ আসতে পারলেন না । ফলে আমাদের ব্যবসা শেষ।" এর পাশাপাশি তারা আশংকা প্রকাশ করছেন বহু দিন ধরে বাস না চালানোর ফলে বাসের বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ খারাপ হয়ে যায় । ইঞ্জিনে সমস্যা আসবে। যদি ব্যাটারি সমস্যা করে তাহলে ৫০ হাজার টাকা লাগবে ব্যাটারি বদলাতে । ভলভো ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের যা অবস্থা তাতে স্বাচ্ছন্দ্য পেতে মানুষ আর ভলভো চাপতে চাইবেন না বলেই মত তাদের ।

ABIR GHOSHAL

Published by: Shubhagata Dey
First published: May 14, 2020, 5:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर