corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাড়িতে একটাই ঘর, খড়ের ছাউনি দিয়েই কোয়ারেন্টাইন সেন্টার বানালেন বাঁকুড়ার গ্রামবাসীরা

বাড়িতে একটাই ঘর, খড়ের ছাউনি দিয়েই কোয়ারেন্টাইন সেন্টার বানালেন বাঁকুড়ার গ্রামবাসীরা
খড়ের ছাউনি দিয়ে এরকমই কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি হয়েছে৷ PHOTO- COLLECTED

ভিন রাজ্য থেকে জেলায় ফেরা শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইনে রাখতে এলাকায় এলাকায় কোমর বেঁধে নেমেছে স্থানীয় মানুষই।

  • Share this:

#বাঁকুড়া: সরকারি সাহায্য ও নিজস্ব উদ্যোগে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাঁকুড়া জেলায় ফিরতে শুরু করেছে পরিযায়ী শ্রমিকরা। এই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের আলাদা করে কোয়ারেন্টাইন করার প্রশাসনিক উদ্যোগ সেভাবে চোখে পড়ছে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শ্রমিকদের হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু সেখানেই দেখা দিয়েছে অন্য এক সমস্যা। অধিকাংশ পরিযায়ী শ্রমিকের বাড়ির যা অবস্থা তাতে পরিবারের অন্যান্যদের সঙ্গে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা প্রায় অসম্ভব। কারণ তাঁদের বেশিরভাগেরই বাড়িতে থাকার জন্য একটিমাত্র ঘর রয়েছে৷

এই অবস্থায় ভিন রাজ্য থেকে জেলায় ফেরা শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইনে রাখতে এলাকায় এলাকায় কোমর বেঁধে নেমেছে স্থানীয় মানুষই। বাঁকুড়ার ইন্দপুর ব্লকের ব্রাহ্মণডিহা গ্রামে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য গ্রামের বাইরে একটি ফাঁকা মাঠে স্থানীয় বাসিন্দারাই খড়ের চালার অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করেছেন। ভিন রাজ্য থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের কোয়ারেন্টাইন করার জন্য একই ব্যবস্থা করেছেন ইন্দপুর ব্লকেরই হন্যা গ্রামের বাসিন্দারা। গ্রাম থেকে দূরে বাঁকুড়া- খাতড়া সড়কের ধারে গ্রামের মানুষ তৈরি করেছেন অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইন সেন্টার।

সারেঙ্গা ব্লকের চিংড়া গ্রামেও একই ছবি দেখা গেছে। ভিন রাজ্য ও জেলা থেকে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের রাখার জন্য স্থানীয় একটি ক্যানেলের পাড়ে গ্রামবাসীরাই খড় ও ত্রিপল টাঙিয়ে তৈরী করেছেন অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। গ্রামবাসীদের দাবি, এই ভাবে ভিন রাজ্য বা জেলা থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের কিছুদিন আলাদা রাখতে পারলে মারণ ভাইরাসের সংক্রমনের হাত থেকে রক্ষা করা যাবে গ্রামগুলিকে।

এখন ভরা গ্রীষ্ম। মাঝে মধ্যেই ধেয়ে আসছে প্রবল কালবৈশাখী। হচ্ছে বজ্রবিদ্যুৎ সহযোগে বৃষ্টিও। রয়েছে সাপ সহ অন্যান্য শ্বাপদের উপদ্রব। এই অবস্থায় গ্রামবাসীদের হাতে তৈরী অস্থায়ী কোয়ারেন্টাইন সেন্টারগুলি পরিযায়ী শ্রমিকদের পক্ষে কতটা নিরাপদ তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

মৃত্যুঞ্জয় দাস

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: May 17, 2020, 3:07 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर