করোনা ভাইরাস

?>
corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ স্কুল, ভারতে ক্ষতির পরিমাণ আকাশছোঁয়া! জানাল বিশ্বব্যাঙ্ক

লকডাউনের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ স্কুল, ভারতে ক্ষতির পরিমাণ আকাশছোঁয়া! জানাল বিশ্বব্যাঙ্ক
Photo Courtesy: Reuters

এই রিপোর্ট আরও বলছে যে অতিমারীর জন্য প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে।

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: বিটেন অর ব্রোকেন? ইনফরম্যালিটি অ্যান্ড কোভিড ১৯ ইন সাউথ এশিয়া- এই শিরোনামে সম্প্রতি এক রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। যেখানে পরিষ্কার ভাবে বলা আছে আগামী দিনে ভয়ঙ্কর আর্থিক মন্দার মুখোমুখি হতে চলেছে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই রকম মন্দার অন্যতম কারণ হল বহু মাস ধরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা। বিশেষ করে স্কুল বন্ধ থাকায় প্রায় ৪০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আছে ভারতে। এই ভাবে চলতে থাকলে গোটা দক্ষিণ এশিয়া আগামী দিনে ৬২২ থেকে ৮৮০ বিলিয়ন মার্কিন মুদ্রার ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক।

হঠাৎ করে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা যথেষ্ট সমস্যায় পড়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা বেশ ভালোই ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। সুতরাং বিপুল আর্থিক ক্ষতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লেখাপড়া করার সমস্যা। যদিও সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করে অনলাইন শিক্ষার মাধ্যমে এই প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন, তবু বলা যেতে পারে ভারতের মতো বিপুল আকারের দেশে অসংখ্য গ্রাম, শহর ও শহরতলির মধ্যে সব ছাত্রছাত্রীর অনলাইনে পড়াশোনার সামর্থ্য নেই। ফলে সে ক্ষেত্রেও একটা বড় বৈষম্য দেখা যাচ্ছে।

এই রিপোর্ট আরও বলছে যে অতিমারীর জন্য প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। বলাই বাহুল্য এই খবর অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। কারণ এত সংখ্যক ছেলেমেয়ে পড়াশোনা ছেড়ে দিলে ভবিষ্যতে এর প্রভাব ভারতের অর্থনীতিতে পড়বে। শুধু তাই নয়, বহু মেধাবী ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎও এতে অন্ধকার হয়ে যাবে।

মার্চ মাস থেকে শুরু করে প্রায় আট মাস স্কুল বন্ধ এ দেশে। যদিও এখন অন্যান্য দেশে আস্তে আস্তে স্কুল খুলতে শুরু করেছে, কিন্তু ভারতে এখনও স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়-সহ কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই খোলেনি। এতদিন স্কুল বন্ধ থাকার ফলে ছাত্রছাত্রীরা নতুন কিছু শিখতে পারছে না এবং অনেকেই এর আগে স্কুল থেকে যা যা শিখেছিল সেগুলো ধীরে ধীরে ভুলে যাচ্ছে। বিশেষ করে ছোট ছেলেমেয়ে যারা, তারা বহুদিন বন্ধু বান্ধবদের মুখোমুখি হতে পারছে না বলে মেজাজি ও খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে।

সমস্যার কথা হল, ভারতেই এত বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে যে এর জন্য দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলির জিডিপি-ও হ্রাস পাবে বলে অনুমান। জুন মাসের ৮ তারিখ থেকে আনলক পর্বে অনেক ছাড় মিললেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও বন্ধই রাখা হয়েছে। তবে সরকারের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী ১৫ অক্টোবর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি ধীরে ধীরে খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যদিও এই ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাজ্য সরকারের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: October 12, 2020, 5:35 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर