• Home
  • »
  • News
  • »
  • coronavirus-latest-news
  • »
  • খাবার, বেতন আর যানবাহন চাই!‌ আটকে পড়া শ্রমিকরা সুরাটে আগুন দিলেন গাড়িতে

খাবার, বেতন আর যানবাহন চাই!‌ আটকে পড়া শ্রমিকরা সুরাটে আগুন দিলেন গাড়িতে

বুধবার গভীর রাতে কানপুরে পৌঁছে বৃহস্পতিবার সকালে আরএসএস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি৷ সেখানেই সাধারণ মানুষের জন্য সংগঠনের তরফে কী কী উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে, তারও খোঁজখবর নেন সঙ্ঘপ্রধান৷ পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, শহরাঞ্চলে শ্রমিকদের জন্য এবং গ্রামে কৃষকদের জন্য আরএসএস কর্মীদের কাজ করা উচিত৷ File Image/Representative Image

বুধবার গভীর রাতে কানপুরে পৌঁছে বৃহস্পতিবার সকালে আরএসএস নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি৷ সেখানেই সাধারণ মানুষের জন্য সংগঠনের তরফে কী কী উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে, তারও খোঁজখবর নেন সঙ্ঘপ্রধান৷ পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, শহরাঞ্চলে শ্রমিকদের জন্য এবং গ্রামে কৃষকদের জন্য আরএসএস কর্মীদের কাজ করা উচিত৷ File Image/Representative Image

তাঁদের দাবি ছিল, যথেষ্ট খাবার, বকেয়া বেতন তাঁদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে

  • Share this:

    #‌সুরাত:‌ লকডাউনের ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসংখ্য শ্রমিক আটকে পড়েছেন। তাঁদের রোজগার বন্ধ হয়েছে। থাকার জায়গা নেই, যথেষ্ট খাবার নেই। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ। ক্রমে ধৈর্য্যের বাঁধ ভাঙছে যেন তাঁদের। দিনের পর দিন বঞ্চিত জীবনযাপন থেকে মুক্তি চাইছেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা। আর সেই ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল সুরাতে।

    লকডাউনের সময়সীমা বাড়তে পারে, এমন একটা উড়ো খবর পেয়ে এবং কিছুটা আন্দাজ করে এদিন পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকেরা। তাঁদের দাবি ছিল, যথেষ্ট খাবার, বকেয়া বেতন তাঁদের হাতে পৌঁছে দিতে হবে। পাশাপাশি তাঁদের জন্য গাড়ি দিতে হবে যাতে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারেন।

    এঁদের বেশিরভাগই কাপড়ের কলে কাজ করেন বলে জানা গিয়েছেন। গুজরাতের অন্য অংশ থেকেও এই ধরণের শ্রমিক অসন্তোষের খবর পাওয়া গিয়েছে।

    সুরাতের ডিসিপি রাকেশ বারোট জানিয়েছেন, ‘‌৬০–৭০ জন শ্রিং এদিন রাস্তা অবরোধ করেন। তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টিও করেন। পুলিশ এঁদের সকলকেই আটক করেছে। এঁরা সকলেই বাড়ি ফিরে যাওয়ার উপযুক্ত ব্যবস্থা দাবি করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনার একাধিক ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, ছবিও দেখা গিয়েছে, যেখানে শ্রমিকদের বিক্ষোভ দেখাতে দেখা গিয়েছে স্পষ্ট।

    Published by:Uddalak Bhattacharya
    First published: