ব্রিটেন থেকে ফেরা আরও ৬ জনের শরীরে মিলল ভাইরাস, ৫০ জন কোয়ারেন্টাইনে

ব্রিটেন থেকে ফেরা আরও ৬ জনের শরীরে মিলল ভাইরাস, ৫০ জন কোয়ারেন্টাইনে

গত সোমবার কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে ২৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রিটেনের সঙ্গে যাতায়াত বন্ধ থাকবে। কিন্তু ইতিমধ্যেই, ৪টি বিমান এসে পৌঁছেছে ভারতে।

গত সোমবার কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে ২৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রিটেনের সঙ্গে যাতায়াত বন্ধ থাকবে। কিন্তু ইতিমধ্যেই, ৪টি বিমান এসে পৌঁছেছে ভারতে।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: ব্রিটেনের নতুন করোন স্ট্রেন ভাবাচ্ছে সারা বিশ্বকে। এই পরিস্থিতিতে, ব্রিটেন থেকে ভারতে ফেরা ৬ জনের শরীরে মিলল ভাইরাস। বুধবার দিল্লি এয়ারপোর্টে, ব্রিটেন থেকে উড়ে আসা ৫০০ জনের কোভিড টেস্ট হয়েছিল। তাঁদের মধ্যেই ৬ জন কোভিড পজিটিভ। এই ৬ জন যাত্রী ব্রিটেন থেকে ভারতে এসে পৌঁছেছেন মঙ্গলবার রাতে। এর আগে, মঙ্গলবারও ৫ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। মঙ্গল এবং বুধবার মিলিয়ে দিল্লি এয়ারপোর্টে কোভিড টেস্ট করানো হয়েছিল মোট ৯৫০ জনের। বুধবার যে ৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে, তাঁদের সংস্পর্শে আসা ৫০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার ইংল্যান্ড থেকে ২টি বিমান ভারতে আসে, একটি রাত ১১.৩০ মিনিটে এবং অন্যটি ১১.৫৫ মিনিটে। দুই বিমানে যাত্রী সংখ্যা ছিল মোট ৫১৪ জন। ব্রিটেনে করোনার নতুন যে স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে, তা যাতে কোনও ভাবে না ছড়ায়, সে কারণে ব্রিটেন থেকে ফেরা যাত্রীদের জরুরি ভিত্তিতে টেস্ট বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্র থেকে। সে কারণে, কোভিড টেস্ট হয়েছিল সকলের।

    প্রসঙ্গত, গত সোমবার কেন্দ্র থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে ২৩ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রিটেনের সঙ্গে যাতায়াত বন্ধ থাকবে। কিন্তু ইতিমধ্যেই, ৪টি বিমান এসে পৌঁছেছে ভারতে। মঙ্গলবার ৪৭০ জনের মধ্যে ৫ জনের শরীরে ভাইরাস মেলার পর, বুধবার আবার ৬ জনের শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। জেনেস্ট্রিংস ডায়াগনস্টিকস নামের যে সংস্থা জরুরি ভিত্তিতে আরটি-পিসিআর টেস্ট করাচ্ছে, তার সভাপতি গৌরী অগরওয়াল বলেন, “সোমবার রাত থেকে এখন পর্যন্ত ব্রিটেন থেকে ভারতে এসেছেন ১০০০ জন যাত্রী। এর মধ্যে ১১ জন কোভিড পজিটিভ। এই ১১ জনের স্যাম্পল স্টোর করে রাখা হয়েছে। দিল্লির ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কনট্রোলে পাঠানো হবে এবং পরীক্ষা করে দেখা হবে এঁদের মধ্যে কেউ ব্রিটেনের নতুন স্ট্রেনে আক্রান্ত কি না।”

    Published by:Antara Dey
    First published: