corona virus btn
corona virus btn
Loading

লকডাউনে কিভাবে সময় কাটাচ্ছেন ইংলিশ চ্যানেল জয়ী সায়নী!

লকডাউনে কিভাবে সময় কাটাচ্ছেন ইংলিশ চ্যানেল জয়ী সায়নী!

গঙ্গায় সাঁতার কাটেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা৷ পুরীর গভীর জলে টানা পাঁচ ছ ঘণ্টা একটানা সাঁতার কাটার মাধ্যমে চলে তাঁর অনুশীলন।

  • Share this:

#বর্ধমান:  জলেই সময় কাটে তাঁর। তিনি স্থলের থেকে জলেই বেশি স্বচ্ছন্দ। গঙ্গায় সাঁতার কাটেন ঘন্টার পর ঘন্টা। পুরীর গভীর জলে টানা পাঁচ ছ ঘন্টা একটানা সাঁতার কাটার মাধ্যমে চলে তাঁর অনুশীলন। তিনি ইংলিশ চ্যানেল জয়ী সাঁতারু সায়নী দাস। লক ডাউনের জন্য 20 মার্চ থেকে গৃহবন্দি তিনি। সামনেই ছিল এশিয়ার প্রথম মহিলা সাঁতারু হিসেবে আমেরিকার হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের মলোকাই চ্যানেল পার করার পরিকল্পনা। কিন্তু মারণ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের জেরে সেই পরিকল্পনা আপাতত স্হগিদ। আপাতত ঘরে সময় কাটছে পড়াশোনায়, গান শুনে।

লঙ ডিসস্ট্যান্স সুইমিংয়ে নতুন কীর্তি গড়ার অনুশীলন সাড়া হয়ে গিয়েছিল। বিমানের টিকিট থেকে থাকার বন্দোবস্ত সবই হয়ে গিয়েছিল। জাপান হয়ে আমেরিকা যাওয়ায় পরিকল্পনা ছিল সামনের মাসেই। কিন্তু করোনার সংক্রমণের জেরে মলোকাই চ্যানেলে পদে পদে বিপদের রোমাঞ্চ অনুভবের ইচ্ছেটাকে আপাতত দমিয়ে রাখতেই হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাড়িতে বাবা মায়ের সঙ্গে কাটছে তাঁর বন্দি জীবন।

সাঁতার বন্ধ। তাই এই সুযোগে সেড়ে নিচ্ছেন স্নাতকের প্রস্তুতি। সাঁতার না থাক, রয়েছে সাঁতার সম্পর্কে নানান পড়াশোনার সুযোগ। সেসবেই এখন ব্যস্ত সায়নী। তার ফাঁকে তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছে ওয়েব সিরিজ। গান শুনছেন কানে হেডফোন গুঁজে চোখ বুজে। অন্য সময় ডায়েট মেনে খেতে হয়। এখন মায়ের হাতে তৈরি মনপসন্দ খাওয়া দাওয়ায় কোনও বাধা নেই। বাবার সঙ্গে বাগানে ফুল গাছের পরিচর্যাও থাকছে কাজের তালিকায়। সেই সঙ্গে ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ সকাল সন্ধে। এভাবেই কেটে যাচ্ছে একটি করে দিন। বললেন, অনেকে দেখছি কোনও কারণ ছাড়াই বাইরে বেরিয়ে পড়ছেন। এটা কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। করোনা নামক এই মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জিততে আমাদের  ঘরে থাকতেই হবে। এতে অনেকের অনেক সমস্যা হচ্ছে জানি। অনেকে কাজ হারিয়েছেন। কিন্তু ঘরে থাকা ছাড়া এই মহামারি ঠেকানোর অন্য কোনও পথ নেই।

তাই আপাতত সব স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় সায়নী।   দেশ করোনা মুক্ত হলে আবার শুরু হবে নতুন কীর্তি গড়ার অনুশীলন। নতুন করে স্হির হবে মলোকাই চ্যানেল অভিযানের দিনক্ষণ। ভয়ঙ্কর সব হাঙরকে পরাস্ত করে লক্ষ্যে পৌঁছে উড়িয়ে দেবেন জাতীয় পতাকা- সেই স্বপ্নই এখন সায়নীর দু চোখে।

Saradindu Ghosh

Published by: Debalina Datta
First published: April 24, 2020, 2:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर