'পরিযায়ী শ্রমিকদের জামাই আদর...', মন্তব্যের অপব্যখ্যা হচ্ছে, বললেন শতাব্দী রায়

দুবরাজপুরে শতাব্দী রায়।

পরিযায়ী শ্রমিকদের একটু মানিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। কিন্তু শতাব্দী রায়ের এই মন্তব্য ঘিরেই বিতর্ক উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে।

  • Share this:

#সিউড়ি: বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, বললেন শতাব্দী রায়। তাঁর কথায়, তিনি বলতে চেয়েছেন, কারও বাড়িতে একজন আত্মীয় হলে যে পরিষেবা পাওয়া যাবে, এক হাজার জন আত্মীয় এলে সেই পরিষেবা পাবে না। পাশাপাশি শতাব্দী রায় আরও বলেছেন, "আমি সব পরিযায়ীদের কথা বলিনি কিছু কিছু পরিযায়ীদের কথা বলেছি যাঁরা কোনও কিছুতেই সন্তুষ্ট হচ্ছেন না। জামাই আদর চাইছেন। তা দেওয়া সম্ভব নয়।"

পরিযায়ী শ্রমিকদের সরকারি ত্রাণ শিবিরে থাকা নিয় নিয়ে গতকাল বিতর্কিত মন্তব্য করেন বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়। বীরভূমের সাঁইথিয়াতে এসে আজ একটি প্রশাসনিক বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, "প্রচুর পরিযায়ী শ্রমিক আসছেন,  তাঁদের জামাই আদর দেওয়া সম্ভব নয়। কাউকে মাছ দিলে সে মাংস চাইছে।"

কেউ নিজে,  আবার কেউ সরকারি সহায়তায় নিজের ঘরে ফিরছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। বীরভূম জেলায় তাঁদের কোয়ারেন্টিন সেন্টারে রাখা হচ্ছে। কিন্তু সেখানে তাঁদের খাবার,  থাকা ও স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। পর্যাপ্ত খাবার মিলছে না বলেও অভিযোগ করছেন কোনও কোনও জায়গায় পরিযায়ী শ্রমিকরা। এরই মধ্যে এই ধরনের বিতর্কিত মন্তব্য তৃণমূল সাংসদের।

শনিবার বীরভূমের আমোদপুরে সাঁইথিয়া বিডিও প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ। সেখানে ব্লক প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক থেকে বেরনোর পর পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রসঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের সামনে বলেন, "পরিযায়ী শ্রমিকরা সবাই কোয়ারেন্টিন সেন্টারে জামাই আদর পেতে চাইছেন, তা দেওয়া কোনওভাবেই সম্ভব নয়। এক সঙ্গে এত জন রয়েছেন, কেউ মাছ পেলে বলছেন মাংস পাইনি, কেউ মাংস পেলে বলছেন ডিম পাইনি। এভাবে কী করা যাবে! বাড়িতে এক জন আসা আর হাজার জন একসঙ্গে আসা তো এক ব্যাপার কখনই হতে পারে না।"

h

Published by:Arka Deb
First published: